![]() |
কবিতার কালিমাটি ১৪৩ |
পালতোলা ঢেউ
(১)
শেষ আর পর্যন্তে
আমার একটা
একটাই।
জীবন বলতে
সঙ্গহীনের ঘাট
পেরোতে পারি না।
বাঁচতে বাঁচতে কিছুটা বাঁচা
না বেঁচেও
পতনশব্দের আরেকটা
ফেলে
মৃত্যু এবং বিমূর্ত।
একটা পালতোলা ঢেউ
পবন তুলে বনে বনে
উছলে ওঠে
পরাগ নীরব
দু-একটা দিন
পাতার উপর।
ঐ একবিন্দু কথা তো নয়
গড়িয়ে
গড়িয়ে
পাতার নিঃশ্বাস
পারাপারে লাগে।
(২)
মৃত্যুডানায় সন্ধ্যাবাসর
থেকে থেকে ঝালর দেয়
রাত্রি নামে শরীর বেয়ে।
পেরোলে নিঃশব্দ
পেরোলে কন্ঠবর্ণ।
রোদভাষার স্বর
সবটুকু গড়িয়ে
পড়ার আগে
যেন আরেকটু পড়লো।
ভাঙা চশমার সুর
কাঁটাচামচে
বাজতেই
দীর্ঘ হলো
জীবন-উপমা।
(৩)
চাঁদের বাটিতে স্বপ্ন।
ঘুমকে মেরিনেট করি
নাঘুম লাবণ্যের জল
ঢেলে একচিমটে
নৌকোভাসা নুন
মরাচোখের পলকে
ভেজে তুলছি
ঝরনাপালন
পরম দীর্ঘতা।
ভেসে যায় কাজলকলিতে
আরও একটা শীতকাল
ভেজা শীতের ডালে বসে
মা মা শব্দরা।
শেষ দৃশ্যে আলো
পালকের
বুকে
নেচে ওঠে
বোবাছায়া…
0 কমেন্টস্:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন