![]() |
কবিতার কালিমাটি ১৪৩ |
কমা চিহ্নে আছন্ন মায়া
(চার)
শুধুই পোট্রের্ট
ধ্রুবতারার কথা আর নাই বা বললাম, সব অন্ধকার স্থির
বৃক্ষের মাথায়, কোন কম্পন নেই এ রাত্রে, চন্দন বৃক্ষ কি গন্ধ ছড়ায়?
আজকাল ব্লটিং পেপারে সুন্দর দেখায় মায়াকাশ, সমস্ত
যুদ্ধের মৃতদেহ শুষে নিয়ে বিজয়ীর হাততালি দেখায় ক্যানভাসে - দূরে সরে যায় সমস্ত
নিসর্গ পাতা, কোলাহলের ছবিটি নিয়ে শুধুই পোট্রেট, সুরেলা সংলাপে মগ্ন এর টাইম জোন
বৃষ্টি নামেনি তারও স্তনের ফরসায়, তবু তৃষ্ণা নিমগ্ন
জলে, জোনাকি উড়তে উড়তে খুঁজে যায় কালপুরুষের নক্ষত্র খচিত আকার
(পাঁচ)
কলঙ্ক ও পিচ্ছিলতা
কয়েক বিন্দু জল পড়ার পর চড়াইয়ের রাস্তাটা পিচ্ছিল
হয়ে যায়, এবার তবে সরীসৃপের মধ্যে প্রবেশ করতে হবে, সব অনুস্বর ছায়ায় ভিতর থেকে এক
একটা নদীর চোখ বাঁকতে থাকে উত্তরে, পিপাসার কারুকার্যে স্নায়ুর সবটুকুতেই আগুন দিয়ে
চলেছে ইট কারখানার অসহায় চিমনি; কেমন করে কলঙ্ক হয়ে যায় সে
দুর্ধর্ষ সাহসী ছিলাম না কখনই, পিচ্ছিলতার তথ্য
এবং দৃশ্যের কয়েকটা যুদ্ধের পাশে নিজেকে প্রতারণা করে এই হিরণ্য শরীর
(ছয়)
বিষণ্ণ রক্তপাত
শূন্যতাকে টেনে নামানো গেলে আকাশটাকে দেখা যেতে
পারতো, যদিও আমাদের সামনে কিছুই নেই, ঈশান কোণের দিকে একঝাঁক পাখি উড়ে যায়, এত দূরত্ব
বাড়ে যে চোখ থেকে হারিয়ে যায় বর্ষা, ফিরে যায় জঠর-গভীরে ফিসফিস বিষণ্ণ রক্তপাত, এখন
আর মায়ার কথা মনে পড়ে না -
তারপর শিশির জমে, বাতাসে ভেসে ওঠে আপাত নৌকার দিন,
আবার ফিরে এসো পাপ, তোমাকে খুব জানা দরকার
0 কমেন্টস্:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন