![]() |
| কবিতার কালিমাটি ১৫৩ |
উদাসীন মল্ট
(১৭)
দ্রুত দুটো চোখ
‘চেন-পুলিং’-এর
চেয়েও দ্রুত
হুইসল
ভাবনাবিজন-পাহারায়
চোখ
পলক নিয়ে পড়ল
লেভেলক্রশিংও
চোখ
কিছু না কিছু তো ধরেই
ধরে
ছেড়ে দেয়
বোতাম
লাগাবার শব্দ
যখন
শিশির পড়ার শব্দে
দূর
থেকে মনে হয় জোনাকি আর জোনাকি
(১৮)
স্বাভাবিক একটা রাস্তা
নির্বাহী-পুল
চা-হারা-রোদ
স্বভাবে
কলোনি তো
অভাবেও
ট্রেন
যদি না আসে
ট্রেন
কিন্তু আসে
একটা
রাস্তা স্বাভাবিক একটু ব্যস্ত
গাছে
ফুল
নাকেও
একটা
মেয়ে যেদিন আর ফিরল না
স্বাভাবিকই
সব
বন্ধুকে
বন্ধু ভাবছি মা’কে মা
‘হেমন্ত’
ঢুকল কলোনিতে…
(১৯)
ভেঙে ভেঙে যে নীরবতা শীতের
প্রায়
পিন-পড়া
সরু
বিবাগী একটা নদী
চাঁদলাগা
মরা
শীত
চায়ের
সুখ
আর
পাতার দুঃখ
পেয়ালা
একটি নীরব ছলকে ওঠা ঠোঁটে
একটি
কুঁড়ি
ও
দুটি-পাতার সহ্য
বা
শোক
খুবই
শুকনো আর খরখরে শীত
সরু
বিবাগী একটা নদী
চাঁদলাগা
মরা
ঘর
বুনছে তো বুনছেই
(২০)
কাবাবে
কখনো
বা ‘দোসা’য়
অভিমান
ফ্লাইওভার
যদি
দু'দিকের আলো আতসকাচ
অভিমান রাস্তার শেষে
একটা বাড়ি
কাবাব
দোসায় জড়িত
কফি বানাতে বানাতে বেশ একটা আমেজ
স্থানীয় হচ্ছিল
অভিমানও ওই পালিশ
করে দিচ্ছে বাচ্চা ছেলেটা
ঝুঁকে আছে সামান্য যখন
জুতোর উপরে

0 কমেন্টস্:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন