![]() |
| কবিতার কালিমাটি ১৫৩ |
যাওয়া
দাদুর ছবি। কাটা আঙুল।
ফিরে আসতে পারে ভেবে।
৭০ বছর অপেক্ষায়। রোদ্দুর।
পনিটেল দুলিয়ে শালবন
এগিয়ে এলো। বন্ধ চোখ গুনে তোলে।
সরবতি। ফর্সা গান। বর্ষাতির নরম শিস। মাঝে
মাঝে শ্মশানে গেলে। নিভে যাওয়া চিতাকাঠ। অচেনা
ভাষায় কী
যেন বলে ওঠে। চোখের বদলে পাখি বসিয়ে।
দেখো। বহুদূর ওড়াতে চাও। বাইসাইকেল
ভেবে। ভাত থেকে উড়ে আসা ধোঁয়ায়
পেরিয়ে গেলে বৈতরণী।
গুনগুন
সারারাত কথাবার্তার পর। কল্পনার প্রতিমূর্তি নিয়ে বুনে
দিই দিগন্ত। মোমবাতিতে
সামান্য ওড়া শাড়ি।
কোন কোন শব্দ। কলোনির
ঘুমশূন্যতার সফেদ রুমাল। ওড়ালেই।
পৃথিবী গুনগুন
করে গায়। জোকারদের গান।
রং আলতো ঝাপটা
মারে মুখে। এ কথা সত্যি। অনেকেই
নিজের মুখোমুখি
হতে চায় না সারাজীবন। আয়নায়
জ্বলে ওঠা
দেশলাইও তা চায় না।
স্বর
রাত্রিবেলা বইয়ের সুলতানত।
নিজেদের মধ্যে জীবন নিয়ে
গল্প করে। আলোর সম্ভাবনা। -- তার
মন ভালো নেই। বইয়ে
মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়লে।
নামাবলী আনমনা মুখোশকে ভূতচতুর্দশীর
জোছনা
দেখায়। উপপাদ্যের ভেতর
লন্ঠন জ্বেলে। কে যেন
মা'র গলার স্বর খুঁজছে।
মা'র দূরাগত গলার স্বর।--
টেবিল বাতি জ্বেলে।
অন্ধকারের মধ্যে একজন
অন্য অন্ধকার খুলে রাখে।

0 কমেন্টস্:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন