![]() |
| কবিতার কালিমাটি ১৫৬ |
বাঁকা তৃণ
প্রতিদিন দুপুর যখন
বাক্যহীন বসে থাকি, অপেক্ষা স্মৃতির
বর্ণগন্ধছিন্নতৃণ ভুলে গেছি কবে
ভিক্ষুণীরা আসে
মন্ত্র দিতে মহান ঈশ্বরে
বিকেল গড়িয়ে আসে
নিষ্ঠুরতা দিচ্ছে দেখা রাত্রি আচম্বিতে
তুমি মুক্তব্যপ্ত রও, প্রহর গুনছো একা?
নদীর তীরে থাকো তুমি, স্বপ্নটা তাই বাঁকা।
চাঁদকলা
ক্ষয়তর চাঁদ দেখি
যমুনার জল ভালোবাসে
আমি জলগৃহে পড়ে থাকি রিক্তত্যক্ত হয়ে
দুই চোখে মেঘের আভাস
বেপরোয়া জোৎস্না আসে
ঝড়বৃষ্টি, মূর্তিমান স্বপ্ন বহুবিধ
লালাতর অভিপ্রায়, প্রাচীন কামনা স্পৃহা
ভাগাড়ে ফেলে যাওয়া মানচিত্রদেহ
বনছুট মানুষের সাথে
মৌনচক্রে হেঁটেচলে দেখি
বিস্তৃত অস্থির এক গুপ্তকুহরণ
তাতে কি ব্যথিত হলো প্রত্যঙ্গ বিশেষ
অথবা সরল হলো সুনিদ্রাপতন?
দাসদাসী
কে আসে ধূসর ছায়ায়
থেমে থেমে, দৃষ্টি যার শকুনি বিশেষ
প্রায়ান্ধ সময়ে দেখি
অন্ধ যাত্রী কয়েক বন্যবাহনে
এরা নাকি হরেদরে বিক্রি হবে
বৈরাগীর স্কন্ধ আগে
উজানে বাজছে বাঁশি
প্রেতিনীর শেষ হাসি প্রকট এবার
কার পালে লাগে ধীরে আগুন আপদ
রাহুর মুখের কাছে ঘাম কেন লালচে ধূলোট
মৃদুল মৃদঙ্গ বাজে কার খুলি দিয়ে
কে আজ মাতাল হবে
জরাতুর ধুতুরার ঘ্রাণে।

0 কমেন্টস্:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন