![]() |
| কবিতার কালিমাটি ১৫৬ |
তিনটি কবিতা
(১)
পেয়ালায় আলো, কালো, নতুন। নীল, কাঁচের ঘর, এইরূপ। অদ্যাবধি
অসমাপ্ত। কেবল সিঁড়ি, স্মৃতিতে, কিছু সাদায়। ছড়িয়ে, ছড়িয়ে। রাত্রে
একজন, এমত আঁকেন। খুব একজন। মস্তিষ্ক, লিঙ্গ, যোনির প্রতিচ্ছবি,
সন্তান আরোপ করেন। যুদ্ধের অন্তিম পর্ব। আশ্রয়। অপরে স্পর্ধা করিতে
দ্বিধা। ভয়। ওই ক্যানভাসে। পায়। যেহেতু অযৌক্তিক। কেবল আঙুলগুলি।
স্পষ্ট করে, তাহাদের, ধূসর। এবং ঊর্ণনাভ। এবং অন্য কিছু। এই কঠিনে,
ভুল ছন্দে, কেন্দ্রের উষ্ণতায়, প্রকৃত প্রস্তাবে, পেয়ালায়। উজ্জ্বল, মেধাহীন,
উদগ্র। অতঃপর মুগ্ধজন, কিছু দেখে। অতিরিক্ত?
(২)
রাত্রি কাঠকুটো আগুন মুক্তা শান্তি জল মাটি। নিঃশব্দের দালান। কেহ
ডাকিতেছে। স্থির এবং অনুযোগহীন। অসমাপিকা ক্রিয়া অনুপস্থিত। সুতরাং
পথের পাথেয়। দক্ষিণের দিকে। এই যে দূরত্ব, অদ্যাবধি অপরিমেয়। যেরূপ
তৎসম। একটি সারমেয়, একমাত্র, তথাপি নির্দেশমত সঙ্গে। অনুগত, তাই
প্রশ্ন নাই। রাত্রিকে দেখি। অভূতপূর্ব, অসম্পূর্ণ। পেয়ালায় কি পূর্ণ কিছু ছিল!
আগুনে স্ফূর্তি দেখিতেছি। কাঠকুটো। মাটিতে। কলসে। অন্তিম কেহ তুলিয়া
ধরিবে। শূন্যের দিকে। অপূর্ব দূর, এ কারণে অপেক্ষা এবং মুক্তা অবধি
ভাবিতে পারিতেছি। ভাবিতে পারিতেছি, বর্ণময় আঁচলের দৃশ্য। মাটি আগ্রহী
হইয়া উঠিতেছে। সেহেতু মৃদু কম্পন। এত দূর অবধি এই মাঘে।
(৩)
এবং স্বপ্নের অভ্যন্তরে। লোক এবং চাবি। পরস্বাপহরণ! হইতে পারে।
তবে ঐ নিবেদনের অব্যবহিত মুহূর্তেই পেয়ালায় এই চলাচল। বাহিরে
এবং ক্ষেত্রে। পাথরেও ওই প্রেমকথা ছিল। স্থানিক। দেখিয়াছি, ছেনি
বাটালি। ক্ষুধার্ত। আমি তো প্রতিবন্ধী। সামান্য চুম্বনে, চিত্রের ইতিহাসেও।
স্পর্শে, স্তন তীব্র প্রত্যাশায়, ইতিমধ্যে। তদবধি মৃত্যু এবং বৃষ্টি ডাকে।
সিঞ্চিত। চাবি কোথায়! অথচ লোক ভাসে চমৎকার। ইহা কেন! আমার
কি ক্ষুধা? রাত্রি! বারবার রাত্রি! লোক, তোমাকে প্রণাম। বাহির হইতেই
এই ক্ষণে। চাবি নাই। হায়, এই হেমন্তে আর চাবি নাই! বালিশের খুব
শেষে কে বা কাহারা, অবশেষে জলের স্পর্ধায়। নোনা।

0 কমেন্টস্:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন