![]() |
| কবিতার কালিমাটি ১৫৯ |
দেহগন্ধ এবং ক্ষতশিল্প
আকাশ জোড়া রোদ,
পাতা জুড়ে সবুজ
সবার চোখে ঘুম
আমার মন হলুদ।
আমি কি পূর্ণ স্বচ্ছ মৃত্যু নিয়ে
তোমার উঠোনে জায়গা পাব?
ঠোকরাবে কখনও উল্টানো কাকের ঠোঁট?
আরও বিপদ জেনেও মাথা ভেজাই জোয়ারে, তবু নির্বিকার থাকে ক্ষতশিল্প।
হাসপাতালের অবৈধ গন্ধ মন কেটে কুমির হয়েছে।
তুমি সন্দেহ জাল দাও, চুপ থাকি।
জানো, আমার পাশের বিছানায় দম্পতি পিঁপড়েরা আনন্দ নিচ্ছে
আর আমি বন্যায় ভুলেছি তোমার দেহগন্ধ।
ও নজর অন্ধ সেজো না
ও প্রেম ব্যর্থ হয়ো না,
ও কাজল মিথ্যে ভেসো না
আমার কন্ঠে তুমুল হইচই
নীরব পাখিকে বোবা বোলো না।
যদি বিষ দাও আমার গোলাপি মনে
দেবো ভরে কথা ব্যথার বিনিময়ে
যদি সময় চাও শেখাবে কিছু নিজেকে
দেবো ডুব অখিল অনন্ত মননে।
ও সুর বেসুরে বেজো না
ও নজর অন্ধ সেজো না
আমার হৃদয়ে চরম গোলমাল
রাত তারাকে ঊষর বোলো না।
যদি গ্রাস করো ভুলিয়ে অছিলায়
যাইহোক কেন বেরঙিন হবো না
যদি ছেঁড়ো সুতো সাতহীন অসহায়
রাজপথও একা, ভিখারি হবো না।
অকালের বেহালা
ভালোবাসায় স্বার্থের লুকানো বীজটি অ্যাতোদিন দৃষ্টিগোচর ছিল।
বাসি জামা ছেড়ে জল ছেটাতাম, রোদ দেখতো।
ফলফলিয়ে উঠেছিল। মাঝি কুয়াশাময় কেন! কেন দূর আরও দূরে যাও?
অনুভব গ্যাছে নাকি কুমিরের কাছে!
কোথায় যেন পোকা লেগেছে! কাছে গিয়েও হদিস মেলে না।
একটা মস্ত কবিতার মতো সংসার পাতাবো ভেবেছিলাম;
উত্তাল সমুদ্র ডাকছে আমায়, ভয় তো পাইনি।
ওরা কথা বলল না...
জেলেরা জাল গুটিয়ে প্রেমে ফিরেছে, ব্যস্ত। ও মাঝি, মাঝি...
শুনতে পাচ্ছ, অকালের বেহালা বাজছে মনে!

0 কমেন্টস্:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন