![]() |
| কবিতার কালিমাটি ১৫৫ |
প্রত্যাগমন
এবার গাঁয়ে ফিরে উদাসী মাঠের পথ ধরে
বহুদূর চলে যাব যেখানে ঝর্ণা এসে মেশে।
পথের দুই ধারে খুচরো যে সব ফুলগুলো
রঙে রঙে বাহার হয়ে আছে, তাদের দুহাতে
তুলে সাজিতে ভরে নেব, তারপর যে যে সব
হাবাগোবা পাখি জানলায় এসে বসে, তাদের
ফেরিওয়ালা ডেকে বনে ছেড়ে দিতে বলে দেব।
একদিন নতুন গান নিয়ে ঠিক ফিরে আসবে।
অনুরাগ
অনুরাগের রং ছোঁয়া তুলিতে রামধনু রং মিশিয়ে
তোমার ছবি এই হৃদয়ের ক্যানভাসে সযত্নে আঁকা।
মনে বসন্তের ছোঁয়া লাগে যখনি পাই তোমার দেখা।
একদিন জেনে নেব সব কথা যা তুমি লুকিয়ে রাখো
ঝরনার গানে, পাখির কলতানে, কান পেতেছিলাম
তোমার মনের কথা শুনতে চেয়ে কিন্তু পাইনি খুঁজে।
তুমি এসে বলে যাও, সব অপেক্ষার অবসান হোক।
প্রবেশ করুক রবির আলো এ মনের স্তব্ধ আঁধারে।
তোমায় নিয়ে স্বপ্ন সুখে মগ্ন হয়ে থাকে আমার মন,
হৃদয় মাঝে দিয়েছি তোমায় ঠাঁই গভীর ভালোবেসে।
মুহূর্ত
পদ্মপাতায় টলটল করে ভোরের শিশির,
হীরের কুঁচির মত চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে।
পাশেই প্রস্ফূটিত পদ্ম চারিদিক আলো করে।
পদ্মের মত তোমার মুখ দুই হাতে ধরে থাকি,
তোমার আধবোজা চোখের পাতায় চুমু দিই।
আকাশে চাঁদ তখনো হেসে তাকিয়ে আছে।
ক্রমশঃ পূবের আকাশটা গাঢ় কমলা হয়,
সকালের সূর্য পাতার ফাঁক দিয়ে উঁকি মারে।
অপেক্ষা করি এক নতুন আনকোরা সকাল,
সুন্দর সব মুহূর্তগুলো নতুন করে ভেসে ওঠে।

0 কমেন্টস্:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন