![]() |
| কালিমাটির ঝুরোগল্প ১৪৫ |
নাতিশীতোষ্ণ
ব্যথা। ভীষণ। যেদিন থেকে শুরু হয়েছিল ব্যথা তার কোন সুস্পষ্ট আভাস বা ইঙ্গিত কিছুই ছিল না। না থাকলেও নাম না জানা কোন কিছুর আভা হয়তো ছিল! তার অলিখিত প্রভাব ছিল। আসলে ব্যথার উৎস অনেকটা ব্ল্যাকহোলের মতন।
আছে জানি, কিন্তু তার কোন বাস্তব
অস্তিত্বের চিহ্ন নেই। অদেখা বিড়ম্বনা! অথচ সে তার পরিপূর্ণ আলো ও অন্ধকার নিয়ে সদর্পে
বিরাজ করছে।
তার হাসি আছে। গান আছে। ফুল আছে।
জল আছে। এমনকি বর্ষাকালও আছে। মেঘ আছে। গর্জন আছে। স্যাঁতস্যাঁতে ভাব আছে। মন খারাপ
আছে। কেঁচো, জোঁক, শামুক আছে। সে এক থৈ থৈ অবস্থা। মাঝে মাঝে ভিজে বেড়াল! অকারণ প্রেমময়ী।
সামনেই বৃহৎ আয়না, আমিই প্রেমিক প্রবর।
কাদামাখা পথঘাট। মনের আকাশে যখন
তখন ছড়িয়ে থাকা মেঘ, গালে ব্রণের মাথায় হাত চলে যাওয়া, খুঁটে দিয়ে ঘা করে ফেলবার
ইচ্ছে ইত্যাদি এক প্লেটে জমিয়ে কান্নার দিঘিতে ঝাঁপ দেবার মনোভাব! সবটাই যেন অকারণ!
অকারণ পুলক! পুলকিত তটিনীর মতো। হালকা হাওয়ায় কুলুস্বরে জল বয়ে যায়। ভাঙা নৌকোর
গায়ে জল আছড়ে পড়ে। তাতে তার কিচ্ছুটি এসে যায় না। জল বয়ে যায়। সে থেমে থাকবার
নয়। ব্যথাও তার পিছু নেয়, যেখানে হর্ষ মিশে থাকে। পোষ্যর মতো। যেন এক নরম ওম। পশমের…

0 কমেন্টস্:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন