![]() |
| কবিতার কালিমাটি ১৫৫ |
সামান্য কুয়াশার অজুহাতে
সামান্য কুয়াশার অজুহাতে
শীতের সমীকরণ ঘেঁটে
হলুদ পাতার ব্যাকুলতা খুঁজি।
নির্জন গোধূলিতে দিশাহীন পাখির চোখে
কি তৃতীয় বিশ্বের হতাশা ধরা পড়ে?
ধরা পড়ে কি শস্যশ্যামলা বাংলার বিস্ময়!
জোয়ারে জেগে ওঠা নদীর মতো
কথামেঘ কিংবা হারানো বিলাস!
এইসব নানা জিজ্ঞাসা নিজের মনে খেলা করে আজকাল।
শূন্য ও শূন্যতার ভিতর
শুরু এবং শেষ বলে আজ আর
কোনো আলোকেন্দ্র নজরে পড়ে না।
শূন্য ও শূন্যতার ভিতর ভেদরেখার খবর কেউ কি রাখে?
একই নদীপথে চর আর ভাঙনের মতোই
স্রোতের টানে ভেসে যায় সময়...
সব অবকাশ ছিঁড়ে বিস্তৃত সেই হারানো দিনের মাঠে
চেনা মৃত্তিকার কাছেই আরো একবার ফিরতে চাই
ফিরতে চাই বারেবারে এই বাংলার পথে পথে
বাতাবিলেবুফুল আর সজনেফুলের মাঘ-অরণ্যে।
নিরাময়
জলের উপর পানি, নাকি পানির উপর জল?
এইসব বিবাদ না হয় মুলতুবি থাক,
আজ বরং গঙ্গা নিয়ে কথা বলা যাক।
এতো ভোরে তার মায়াবী শরীর ঘিরে
এতো অন্ধকার! এতো নরম কুয়াশা!
পাখি নেই, নেই অন্য কোনো কোলাহল।
তবু, কত জাহাজ বাণিজ্যে যায়
কত বসতভিটে! নিশ্চিহ্ন হয়...
কত কান্না, তীব্র হাহাকার চাপা দিয়ে
নিমতলা শ্মশানের চুল্লি দাউদাউ জ্বলে যায় ...
জলে, না পানিতে নিরাময় ঠিক কোথায়?
কেউ কি সঠিক জানে!

0 কমেন্টস্:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন