![]() |
| সমকালীন ছোটগল্প |
দোমোহনীর বালিপর্ব
“রিস্তে মে হম তুম্হারে বাপ হোতে হ্যাঁয়, নাম হ্যাঁয় সহানশা”। ধাতব দক্ষিণহস্ত কনুই থেকে নব্বই ডিগ্রীতে বেঁকিয়ে, বাঁহাতে ফাঁসির দড়ি ঝুলিয়ে সহনসার অমিতশক্তিধর অমিতাভের ওই কালজয়ী ডায়ালগ কয়েক সেকেন্ড মাথায় খেলেছিল। আর পাঁচটা ষাটোর্ধ বাঙালির মতো আমার বিদ্যমান বাস্তব রক্তচাপ, পিত্ত, বায়ু, কফ সবেতেই প্রতিকূল সংকেত। সবকিছু মাথায় রেখে দৃশ্যপটে বিরাজমান আশু সন্ত্রাসকে সেই ডায়ালগ আউড়ে বিরত করার আন্তরিক সদিচ্ছে আপাতত চেপে গেলাম।
আর পাঁচটা দিনের মতো প্রাতঃভ্রমণে
বেরিয়ে ছিলাম। কে জানত এই বিপর্যয় অপেক্ষা করছে। দোমোহনীর নৌকা পথ দিয়ে কর্মব্যাস্ত
নিত্য আসাযাওয়া নির্ভর জনজীবন ধীরে ধীরে গুটিয়ে গেলো। ডোবো ব্রিজ একটু একটু করে দিগন্ত
রেখায় ফুটে উঠলো।
আমি রোজ নতুন ছবির খোঁজে ক্যামেরার ব্যাগ নিয়ে দোমোহনীর নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে থাকি। ভেসে ওঠে মন কেমন করা মানুষের নিত্য মিছিলের দিনগুলো। দোমোহনীর নদী পথের পাঁচালি জল ছেড়ে স্থলপথে উঠে যাচ্ছে। বর্তমান একটু করে অতীত হয়ে যাচ্ছে। ধরে রাখার উপায় নেই।
সুবর্ণরেখার বালিতে ছেলেমেয়েদের
কলকল উচ্ছাসে স্কুলে ছুটে যাওয়ার দৃশ্য এখন গানের কলি – “পুরানো সেই দিনের কথা ভুলবি
কি রে হায়”। দলছুট শিশুদের পিঠে স্কুলের ব্যাগ নিয়ে জলঘাঁটা আর দেখা যায় না।
হাড়কাঁপানো শীতে মাস্টারমশাইদের আরো অনেক কাজের মানুষের সাথে সাইকেল নিয়ে নৌকো চড়ার দৃশ্য একবারে কালি-কলমের ড্রয়িং হয়ে মনের ক্যানভাসে ফিকে হয়ে আসছে। দোমোহানী আজ যেন জীবনানন্দর লাইন--
“পৃথিবীর সব রং নিভে গেলে পাণ্ডূলিপি
করে আয়োজন
তখন গল্পের তরে জোনাকির রঙে ঝিলমিল;
সব পাখি ঘরে আসে — সব নদী — ফুরায়
এ-জীবনের সব লেনদেন;”
লটবহর মাথায় নিয়ে সহরবেড়া আর ডোবো
থেকে কাকভোরে উঠে আসা মানুষের নৌকা চড়ার অপেক্ষা।
গৌড় গোয়ালার দুধের ক্যান সাইকেলে ঝুলিয়ে বালিচরে হেঁটে যাওয়া। সবছবি আজ ধূসর
পাণ্ডুলিপি। খরকাই আর সুবর্ণরেখার মেলবন্ধ
দোমোহনীর ধারায় আজ শেষের কবিতার বিচ্ছেদ বার্তা--
“ফিরিবার পথ নাহি;
দূর হতে যদি দেখ চাহি
পারিবে না চিনিতে আমায়”।
দোমোহনী নিঃসঙ্গ হয়ে হয়ে যাচ্ছে।
আমার ফোটোগ্রাফি দিগভ্রান্ত হয়ে গেছে। কিছু না পেয়ে নদী পাড়ে নিঃসঙ্গ সাইকেল বা কলসি
কাঁখে মহিলার ছবি দেখি। কখনও পাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা ফাঁকা নৌকার ছবি তুলে মনে হয় যাক কিছুতো হলো।
হাবু আর জগাই দুই মাঁঝি দুটো নৌকোয়
নদীর পাড়ে পড়ে থাকে। সারাদিনে দশবিশটা যাত্রী জোটে। সবজি আর খড়ের মোটরি নিয়ে দুএকজন
নৌকায় পার হয়। ও দিয়ে কি আর পেট চলবে। স্কুলের ছেলেমেয়েরা নৌকা ছেড়ে ডোবো ব্রীজ দিয়ে
আসা শুরু করলো। মাস্টারমশাইরা সাইকেলে ব্রীজ পেরোয়। কখনো বা দূরে একটা নৌকায় মাঁঝি।
একদিন মাঝিরাও নতুন জীবিকার খোঁজে দোমোহনী ছেড়ে কোথায় হারিয়ে গেলো।
একসময় দেখলাম আমি আর ওই টিউব নৌকার মেছুয়ারাই টিকে থাকলো। দুচারদিন ডোবো ব্রীজে হাঁটাহাঁটি করলাম। ছবিও তুললাম। মানুষের গতিবিধি এই ব্রীজে বড়ো দ্রুত। ছবি হবে না বুঝে ডোবো ব্রিজের নীচে ঢালু কাঁচা রাস্তায় দিয়ে নেবে এলাম। এখানে শুকনো নদীর অগভীর জলে জাল ছুঁড়ে মাছ ধরা চলছে। ল্যাংটো শিশু ও সারমেয়র দল কচুরিপানার জঙ্গলে খেলে বেড়াচ্ছে। দুচারদিন ভোগ করতে ভালোই লাগলো।
চোখে পড়লো আরো কিছু নতুন কর্মকাণ্ড। ছেলে ছোকরা বুড়ো ও মহিলারা দল বেঁধে ছোটোছোটো বস্তায় বালুবন্দী করে সারিবদ্ধ লাইনে সাজিয়ে রাখছে। নতুন এক জীবিকা ওরা ঠিক খুঁজে বার করেছে।
ওই বালুভরা বস্তা কাঁধে নিয়ে খাড়া
ঢাল দিয়ে হেঁটে মেরিনে ড্রাইভে উঠে পড়া প্রায় অসম্ভব। তাই ব্যবহারে সাইকেল আর স্কুটার।
স্কুটির জুগে স্কুটার এখন বর্জবস্তু। কিন্তু এখানে স্কুটারই চাই। বালুর বস্তা স্কুটারের
ফার্স্ট গিয়ারে ঠেলে তোলা সহজ। পুরনো স্কুটার এখন জলের দামেই পাওয়া যাচ্ছে। বস্তির
কিছু লোক সস্তার স্কুটার কিনে সুবর্ণরেখার বালির চরে নেমে পড়েছে। হতদরিদ্ররা সাইকেল
নিয়ে আসরে নেমে গেছে।
সাইকেলের প্যাডেলের মাঝে ত্রিভুজাকার
ধাতব ফ্রেমে বালুবন্দি বস্তা তুলে দেওয়া হচ্ছে। মেয়ে পুরুষ প্রাণান্তকর পরিশ্রমে কাঁচা
রাস্তায় খাড়া ঢালে বস্তা বোঝাই সাইকেল ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে উপরে। সামনে পিছনে ছুটছে অনুগত
কুকুরের দল। সমস্ত কর্মকাণ্ড ঘিরে উৎসাহী সারমেয়দের ভাবভঙ্গি দেখলে মনে হবে ওরা না
থাকলে কাজটাই হবে না। ওদের এই কর্মকাণ্ড ক্যামেরাবন্দি করে রাখতে ভালোই লাগতো। প্রতিদিন
নতুন কিছু চোখে পড়বেই।
প্রথমদিকে ওরা ছবিতোলা ব্যাপারটা
সন্দিগ্ধ চোখে দেখলেও পরে ওদেরও গা সওয়া হয়ে গেল। একসময় বড়ো বড়ো ট্রাক নদীতে নেমে আসতো।
কুলি মজুর ডালায় বালু তুলে দিত। নদীতে বড়ট্রাক নামিয়ে বালু তোলা বন্ধ হয়েছে প্রশাসনিক
চাপে।
সে সময় ট্রাকের থেকে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায়
লালিত বিষয়ী ফন্দিবাজের দল তোলা আদায় করতো। সেই মস্তানের দল নতুন আমদানির সুযোগ ঠিক
খুঁজে নিল। একসময় দেখা গেল ছোটছোট ডালা ট্রাক, যাকে ওরা ছোটা হাতি বলে, সেগুলোতেও বস্তা
বোঝাই করে বালু তোলা শুরু হলো। সাইকেল আর স্কুটার ধারীরা মাস্তানদের চাপে বস্তায় বালি
বোঝাই করে ছোটাহাতি লোড করার কাজে নিয়োজিত
হতে বাধ্য হলো।
ইন্ডিপেন্ডেন্ট অন্ট্রেপ্রেনিওর
থেকে ডেইলি লেবরার হয়ে যাওয়া ব্যাপারটা যাদের পোষালো না তারা চলে গেল। সাথে চলে গেল
উৎসাহী কুকুরের দল।
আমার ছবি এই বিবর্তনের সাক্ষী হয়ে
থাকলো। এখান থেকেই শুরু হলো সংঘাত যা আমি আঁচ করতে পারিনি। একদিন এক সামূহিক উৎপাত
মুর্ত হলো আচমকা।
ফোটো খিঁচকে কুছ উখাড় লেগারে ভোঁসড়িওয়ালা।
পেছন থেকে একটা জোরে ধাক্কায় দুচার কদম হুমড়ি খেয়ে থামলাম। অসুরের ঝাড়খণ্ডী সংস্করণের দল বহুরূপে সম্মুখে ও পিছনে তোমার।
য়ঁহী বালুমে জিন্দা গাড় দেঙ্গে মাদার…। ঘরওয়ালে ঢুঁড়তে রহ জায়েগা।
এধরনের আপত্তিকর প্রতিশ্রুতি শুনে প্রচণ্ড রাগে অপমানে অমিতাভের ওই ফিল্মি ডায়ালগ মাথায় খেলেছিল কয়েক মুহূর্তের জন্য। বাঙ্গালীর নির্বিরোধী নিরাপদ নিরীহ শুভবুদ্ধি বললো, “বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে,” অমিতাভর ডায়ালগ সিনেমায়।
আমার এক সময়ের কর্মচারী বাবলু পাণ্ডেকে
ফোনে বলতে শুনেছি, “থোড়া এঁয়েঠ্কে বতিয়াইয়েগা। বংগালী লুড়ককে ঘর ঘুষ জায়গা”। বিপদে আপদে লুড়ককে ঘরে সেধিঁয়ে
যাওয়ার টাইম টেস্টেড বিকল্প এই মুহূর্তে সুবর্ণরেখার তীরে আমার নেই। মুখোমুখি আক্রমণাত্বক
বানর বাহিনীর মোবাইলে মানভূমি বাংলার আধুনিক গান কানে এলো—“হুলুক হুলুক ভাইলতেছিলো
নুনুর মায়ের ভাই”। দুদিন আগেও এই মূর্তিমান আপদদের মানভূমি বাংলায় কথা বলাবলি করতে
শুনেছি। বুঝলাম এদেশীয় বাঙালি। এখানে জয়শ্রীরাম বা হরহর মহাদেব বলে পার পাওয়া যাবে
না। একটু পরিচিত রণক্ষেত্র। বিকল্প রণকৌশল মাথায় খেলতে লাগলো। মুখে মৃদু হাঁসি অহিংস
বুদ্ধের প্রতিমূর্তি বিগলিত আমি বললাম, “ই বাবা! তুমরা হামরাকে চিঁহিঁন্তে লাইরলে।
অধীর মাহাতোর বিটির বিয়ায় তুমায় দেইখেছিলি। অধীর, বড় ভালো লোকটা ছিল। বিটির বিয়ায় দমে
খাসির মাংস খাঁইয়ে প্রাণটাই চইলে গেলো উহার। কি কইরবে বলো। ভালো লোকগুলাই আগে চইলে
যায়”।
“হঁ! তুমি হিন্দিতে কথা ক্যানে
কইরচছ। হামদের মানভূমি বাংলাটো ভুলালে নকি?”
মিহি মসৃণ মানভূমি বাংলা প্লাস
এমেলের নাম উচ্চারণ। অতর্কিত আক্রমণের এই অপ্রত্যাশিত নির্বিষ প্রতিরোধ কিছুটা অপ্রস্তুত
ওদের তালভঙ্গ হলো।
গরীব মানুষগুলাকে ফোটো খিঁচে ফাঁসাচ্ছ
ক্যানে?
প্রতিবাদী সুরে এবার এবার আর আপত্তিকর বিশেষণ নেই। কণ্ঠস্বরে আর সেই ঝাঁঝও নেই। কিছুটা আস্বস্ত হলাম। চামড়া বাঁচানোর তাগিদে বিশ্বাসযোগ্য পটভূমি তৈরী করতে মগজের সবকটা কলকব্জা বায়ুবেগে সক্রিয়। ঝটিত ক্ষিপ্রতায় মোবাইলে 500PX এপ আর ফেসবুক অ্যালবাম খুলে Chanchal Boseএর পেজগুলো ওদের চোখের সামনে মেলে ধরলাম। শুরু হলো প্রগল্ভ অমায়িক এক দীর্ঘ মনোলোগ যেন আমার পেশাদারি জীবনের কিউবারনেটিস ক্লাস্টার অর্কেস্ট্রেশন ইন আমাজন ক্লাউডএর দীর্ঘ কর্পোরেট সেশন।
“হাই দ্যাখ! তুমি হামরাকে বুইঝ্তে লাইরলে। হামদের দোমোহণী ঝাড়খণ্ডটা কতো সুন্দর জাইনলে। দুনিয়ার লোক জাইনবে ক্যামনে অমন একটা বিউটিফুল জাইগা আছে? হাই দ্যাখো কত লোক এসে হামার এই পেজটা দেইখ্ছে। ফোটোগুলা দেইখছে। দোমোহনী সুবর্ণরেখার বিউটিটা জাইনছে।
দ্যাখো দ্যাখো - কেমোন লাইক কইরছে।
জাইনছে এতো সুন্দর একটা জাইগা আছে। তুমি রবিবার সকালে দোমোহনীর টুশুঘাটের সিঁড়িটায়
দাঁড়হাবে ন। কমতক্ বিশটা গাড়ি। ভরভর করে লোক আইসছে দোমোহনী দেইখতে।
উহাদের সুধাবে জাইনছে কুথালে? সব
আমার ছবিগুলা দেইখছে আর জাইনছে।
উপস্থিত টার্গেট অডিয়েন্সদের চোখেমুখে
অবিশ্বাসে উদ্বেলিত অপার বিস্ময়। একজন আমার মোবাইলে টুসুর ছবিতে পরিচিত ব্যক্তিত্বের
দর্শন পেয়ে উল্লসিত প্রতিক্রিয়া, “হাই দ্যাখ মদনা কেমোন লাইচ্ছে!”
অসুরপতির বাজখাঁই ধমক, “তুই থাম।
ইহাদের প্যাঁদ বুঝবি কি তুই। তুমি ইহা কইরে দমে পইসা কামাচ্ছো নকি। কঠিন ধান্দা খুঁজে
বাইর কইরলোরে ভাই!”
শেষের কথাগুলোয় সেই দুর্বিনীত আশ্লেষ নেই। প্রাণে ঠাণ্ডা বাতাস লাগলো। মনে হচ্ছে এযাত্রায় পার পেয়ে গেলাম। একটু আগের ভীত সন্ত্রস্ত মগজের কলকব্জা এখন অনেক সাবলীল। ব্যথিত বিদগ্ধ উদাত্ত কন্ঠে এবার আমার প্রতিবেদন, “তুমি ফেসবুকে ফোটো ডাইললে কেউ পইসা দেয়? ফোটো দেখে হামরাকে কে পইসা দিবে? হামার মতো বুড়হা হলে জাইনবে টাকাপইসায় কিছু নাই। আর পইসা লিয়ে কি কইরব রে ভাই? কেউ পইসা সাথে নাই লিয়ে যাবে জাইনলে। গায়ের কাপড়টাও ছাইড়ে যাতে হবে জাইনবে”।
“হঁ তবে বুঝো। হাই ফোটোগুলা দেইখে কতো জনে হামদের দোমোহনিটা জাইনছে বল? হামকেও চিহি্নছে - যেমন আজ তোরা জাইনলি। হঁ তবে মনে যে কি শান্তিটা আসে তোকে কি বুঝাবোরে ভাই। একেকটা কমেন্ট পঢ়বি ন মন কইরবে আর দুটা ফোটো খিঁচে চিপকাই দি।
পরিবেশ নিরাপদ ও অনুকূল হয়ে গেছে। আর দুচারটে খুচরো আলাপ করে আমি প্রস্থানে উদ্যত। শুনতে পেলাম প্রায় অনুতপ্ত অসুরপতির বিনম্র নিবেদন, “হঁ ভাই! হামি যে অমন বইললম মনে কিছু ইহা কোইরলে নাইতো?”
আমি তখন বিনয়ের মূর্তি যুগাবতার
গুরুদেব শ্রীশ্রী ১০৮ গুড়ানন্দ ব্রহ্মচারী। সস্নেহে বললাম, “পাগল। ইটা ভালোই হইলো।
কথাটা কল্লি তাই ন জানা চিন্হা হইলো”।
কাঁধে একটি আলতো চাপড় মেরে বললাম,
“দুটা কথায় ইহা কইরলে হয়। তুই হামার বেটার মতো”।
বাড়ি ফেরার পথে মনের গহন কোণে সেঁটে থাকা সহনশার আবছা পোস্টারে নিজের ছবি দেখে স্বগোতক্তি করলাম, “রিস্তে মে হম তুম্হারে বাপ হোতে হ্যাঁয়। নাম হ্যাঁয় সহনশা”।

ইদানিং কালে, বরং বলা ভাল বেশ কিছু কাল যাবৎ, বাঙলা ছোটগল্প যে মধ্যবিত্ত/ নিম্নবিত্ত পাতি দৈনন্দিনতার ডোবায় খাবি খাচ্ছে...খেয়েই যাচ্ছে কিছু নাহোক অন্তত গত দু-দশক ধরে, তার প্রেক্ষিতে চঞ্চলের এ-গল্প এক revelation!
উত্তরমুছুনবিষয়বস্তু-আঙ্গিক-ভাষা, সাহিত্যিক উপাদানের ত্র্যহস্পর্শে এ-আলেখ্য যেন এক উন্মোচন। আদ্যন্ত মৌলিক ও প্রাদেশিকতা-মুক্ত।
সঙ্গে ছবি -- আইসিং অন দ্য কেক।