![]() |
| কবিতার কালিমাটি ১৫৫ |
অপূর্ণ
বিষাদ এবং ঘরছাড়াদের, এমন কি দীপের সহিতও ঘর নাই বহুদিন। কাঁচের ঘরে প্রভূত আলো এবং যোগাযোগ। নিয়মিত দেখি লোকজন যায়, জল যায়, কলরব, শীর্ণ পাতা । দিন নাকি ক্রমে শীত হইতে বসন্তে। শিশুদের ডাকে। এতদূর কাঁচের টেবিল যায় না। পূর্ণতায়। অপূর্ণই সংসার এই বাহারে। তাহাদের পদশব্দ নাই, অথচ নিরন্তর শোভা। হত্যার চমৎকার বিবরণসব ক্রমে স্পষ্টতর হয়। আমাকে কেন যে এখানে রাখে! সম্ভবত প্রতীক অথবা বিজ্ঞাপন।
মালিনীর গল্প
অপর্ণার সহিত কি অপূর্ণ জড়িত? জল পানের কথা, ছায়ার কথা, মালিনীর গল্প? ছন্দ আসিল না! মলয়? কত প্রকারের জানালা! পোষাকে শব্দ আসিল না।। বিন্দুসম জল। এত ধূ ধূ কেন! দু চারটি শষ্প রাখিলাম। আঙুলে চোখ, আয়ত। সরু সিঁড়ি। আকাশের সামান্য। ফ্রকটি উড়ন্ত। তাহাতে কিছু বেদন। আর সাদা মেঘ। ভাসমান। না-য়ে যেহেতু চক্ষু, আমিও ভাসিয়া পড়িলাম। সে এক উড়ান হইবে। অসময়ে যেরূপ হয়।
সাদা
ডিমসব আচ্ছন্ন। যেহেতু কুয়াশা। টের পাচ্ছো? সবুজে সবুজ করোটি। ভাবা যায়, একদিন আড়ালের প্রয়োজন ছিল। সামান্য ঘুলঘুলি। সামান্য চিমনি। সাদায় দীর্ঘ হচ্ছে সাদা। অতীতের কোন গাথা নাই। বটবৃক্ষের ঘোড়াসব খেলিতেছে সাদায়। হাত কই! সেই যে আলোকিত! স্পৃহা এবং আকাঙ্ক্ষা খেলিয়াছিল আঁচল এবং আঁচলে! বিসর্জন কি এইরূপ! কেবল অদৃশ্যে, কেবল সাদায়! আমাদেরও কিছু কথা ছিল, মনে পড়ে? শুধু মাংসের জন্য অলীক শোক হয় আজ।

0 কমেন্টস্:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন