![]() |
| কবিতার কালিমাটি ১৫৫ |
জলছবি
(১)
ফেরীঘাট তখন জলছবি
গল্প নৌকোয় দুলছে
লন্ঠনে জলজ আগুন
আবার এসেছে
আষাঢ়
একটা গোলা-আকাশ ইত্যাদি
মা ও ছেলের সম্পর্কে একটা বনগাঁ-লোকাল
ছিল আছে থাকবে
মা
চোখ দিয়ে রেললাইন টেনে দিত
শ্রাবণ
শ্রাবণীও খুব ভাল নাম,মায়ের ছিল না
মায়ের নাম
শুধু মা
(২)
কাল যা ছিল মানবাধিকার
আজ শিষ্ট ওমলেট
কি একটা বিষাদও ঢেলে দিল
ওমলেট যে প্রক্রিয়া
তার উপরেই
মানুষ দেখল কুয়াশারা
বিকেলে
যে প্রক্রিয়ায় গান ওমলেট
হয়
ওমলেট মানবাধিকার
শিষ্ট কিন্তু ভেজা
চৌমাথায় কত মানুষ কুয়াশাকে ভাবছে
ফস্কে যাওয়া হাতের আঙুল
ওমলেটে বা গানে ওই যে
ছ্যাঁকছোঁক
আজ অথবা কাল
একটা মানুষ
একটা অধিকার হতে হতে হতে
হতে অপেক্ষা
দাঁত ও নিরপেক্ষ জিভের
(৩)
কথার বাইরে তা
আবার মানভূমও আছে
কোথায় যে রাখি
গাঁ গ্রাম গেরাম পার করে
এক নয়নহারা রাস্তায় একটি মেয়ে
দুটি চাকা
মানভূমে বর্ষার পরেই
সাইকেল ঢুকেছিল
রেস্তোঁরায়
যুদ্ধ হলেও হতে পারে
এমন একটা সময়ে
কথার বাইরে তা,পাখিদের
বাইর শুধু শুধুই পড়ে আছে
একটা নদী
একটা নৌকো
অলস করুণাময় টাইপের একটা কি
দুটো বক
পেট্রলপাম্প
আসন্ন
ঝুঁকি
নয়নহারা শব্দটা বাড়তি মনে হয়
(৪)
খুব সকালে খুব ভোর হয়না
স্পিন থাকে
মাটিতে পড়ার আগে যে
সামান্য হিমেল বাঁক
যে অসামান্য চোখছাড়া
ভ্রূ
পড়ো পড়ো
পা আসে, লাইনে হেরফের
হয়, ‘এ কোন সকাল’
ভোর ভোর কে যে টাঙিয়ে
দিল
ছুঁয়ে দিই
পাতা হাতের কুশন ছেড়ে
সেই ঘোর লাগা
একটাই তো, আমি কেন দুটো
দেখছি
ড্রপ খাচ্ছে, বুকের খুব
কাছে আমার হাঁটু আমার ব্যাট
সরলবর্গীয় খেলা
এরপরেই ক্লা-ক্লা
সোনাঝুরি পর্যন্ত
ড্রাইভ
না-চেনা সকাল
স্পিনে দাস্তাঁ
দুপাট্টার
খুব সকালে
সকাল খুব একটা হয় না

0 কমেন্টস্:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন