![]() |
| কবিতার কালিমাটি ১৬২ |
মধ্যরাত
মায়া কখনও রীতি মানে না
মৃত্যুর মাথার কাছে দাঁড়িয়ে ছোট ছোট
স্মৃতির ঢেউ ফিরিয়ে নিয়ে আসে
তারপর সরসর করে পিছিয়ে নেয় নিজেকে
কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বাধা দেয়
এদিকে শিব রঞ্জনীর শেষে বেজে যায় দরবারী কানাড়া
আহির ভৈরবীতে লেখা হয় বীজের জন্ম কথা
পাথর ফাটিয়ে জল ছুটে চলে স্নেহগামী
শোক মুছে মাটি আবার অরণ্যের স্বপ্ন দেখে
অথচ মূক বধির ও অন্ধ মানুষের দল
লাঠি ঠুকে ঠুকে কোথায় যে চলেছে...
শ্বাসকষ্ট
পৃথিবীর শ্বাস কষ্ট হয় বিবাদের ধোঁয়ায়
নিজের কান্নার বাষ্পটুকুও শুকিয়ে যাচ্ছে ক্ষেপণাস্ত্রের তাপে
বিস্তীর্ণ মরুদেশে মানুষ যে বিভ্রম তৈরি করেছে
তার কোনো মাপ হয়?
তোমরা কি খুঁজেছিলে মায়ের গ্রাম বাবার ভিটে
কোথায় পুঁতে ফেলেছো?
ঐ যে কারা জলে দাঁড়িয়ে দু হাত তুলে ধরেছে?
কারা শুয়ে পড়ল প্রতীকী চিতায়?
ঘোর অন্ধকারে
ঘোর অন্ধকারে জেগে আছে ছয় খোপের আলোঘর
বিন্দুতে সিন্ধু দেখার বিভিন্ন আয়োজনের ধোঁয়াশা ভেদ
করতেই বেলা পড়ে এল, মিষ্টি পানীয় জল প্রায় শেষ।
আট ঘরের বাড়িটায় কোলাহল থামে না
নয় পথে পাহাড়ায় সাদা পোশাকের তত্ত্ব ধারক
তাহলে কোথায় যাব?
ঐ আলোঘরে জেগে থাকা বাকি যে জীবন তারও তো
অন্ন জল পৌঁছে দেয়া চাই।
মেয়ে জন্মে দেহটাকে সাবধানে টিকিয়ে রাখাই দায়
এ দেশ এমন, হায়না বুনো কুকুরের দল মানুষের ছদ্মবেশে নাগরিক হয়েছে।

0 কমেন্টস্:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন