কালিমাটি অনলাইন

ত্রয়োদশ বর্ষ / একাদশ সংখ্যা / ১৩৮

দশম বর্ষ / একাদশ সংখ্যা / ১১০

ত্রয়োদশ বর্ষ / একাদশ সংখ্যা / ১৩৮

রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬

অর্ঘ্য দত্ত বক্সী

 

সমকালীন ছোটগল্প


মাংসের সন্তান – a flesh borned out of desire of flesh       

বিষণ্ণ বারবিলাসিনী বা তার মতো রূপশালী নুন

এক কন্যা গজ গেলে

এসো বোসো আমার ঘরে

বোঝো তো নিশ্চয়ই!

আসি যাই – গজমাংসে পুষ্ট শরীর ভোগ করি – ভাবো তো কি নরম!

“একটু মাংসো না হোবে তো কি হোবে!”

মেয়ে দুইপ্রকার। এক সূক্ষ্ম তন্বী – কোলে তুলে নিয়ে সুলভ সঙ্গম সেক্স টয় আর ফ্ল্যাবি – মর্দন হেতু। মন হওয়াটা বড় মনোটোনাস, একান্তই বাধ্য হয়ে দেওয়া নেওয়া। না হলে মন শুধু টন টন মাংস মাপে, মগজকে সে কাজেই লাগায়। মাংসবহুল ও মাংসবাহুল্য – যাবতীয় নারীর কেবল এই দুপ্রকারের শ্রেণী বিভাগই তাই।

দূর থেকে পারপাসফুল দেহাত্মবাদীর তবে এরকমই মানসিক হয়।

“সকল ফুলের কাছে এত মোহময় মনে হবার পরেও

মানুষের কিন্তু মাংসরন্ধনকালীন ঘ্রাণ সবচেয়ে বেশি ভালবাসে”…

মাংস মানেই খাওয়া… মানুষীর মাংস খেতে তবে সবচেয়ে বেশি ভালবাসি

“কয়েকবছর ধরে খাওয়া হল, ছেলেও হয়েছে

আরো ছেলেমেয়ে চাই – একথা ফুলকে বলেছি

খাওয়ার সময় ধাক্কা দিতে দিতে একথাই বলেছি”...

ফুল – মাংস – মানুষী তবে পরস্পর

                                 মিশে গিয়ে সিটিলাইটস।

ইউ অল সেভড মাই লাইফ টু নাইট ...

“আমার কেশপাশ সূক্ষ্ম, সম ও নীল; ভ্রুযুগল পরস্পর বিশ্লিষ্ট; জঙ্ঘা রোমশূন্য ও গোলাকার; দন্ত পংক্তি ঘন ও সংশ্লিষ্ট; ললাট ঈষৎ উচ্চ; নেত্র, হস্ত, পদ, গুল্ফ ও ঊরু সমপ্রমাণ; অঙ্গুলি দল স্নিগ্ধ সমমধ্য ও যবরেখা অঙ্কিত; নখর গোলাকার, স্তনদ্বয় নিবিড় ও কঠিন, চুচুক নিমগ্ন; নাভি মধ্যে নিম্ন ও পার্শ্বে উন্নত; বক্ষ উচ্চ; বর্ণ মণিবৎ উজ্জ্বল; গাত্র লোম কোমল ও হাস্য মৃদুমন্দ ...”

“যিনি নাতি হ্রস্বা, নাতিদীর্ঘা, নাতি কৃশা ও নাতি স্থূলা; যাহার রূপ লক্ষ্মীর ন্যায়; কেশকলাপ দীর্ঘ, নীল ও আকুঞ্চিত; নেত্রযুগল শরৎকালীন পদ্ম পত্রের ন্যায়; গাত্রে পদ্মগন্ধ, হস্ত সর্বদা শারদপদ্ম শোভা পায়; ... যাহার সস্বেদ মুখপঙ্কজ মল্লিকার ন্যায়; মধ্যদেশ বেদীর ন্যায়, সেই সর্বাঙ্গসুন্দর দ্রৌপদীকে পণ রাখিলাম।“

রামের ভুয়ো মৃত্যুসংবাদ শুনে বিলাপরতা সীতা – আমাদের জাতির জননীর দেওয়া আত্মদেহবর্ণন ও ভারতের সর্বাপেক্ষা বোল্ড সর্বাপেক্ষা নারীবাদী নারী দ্রৌপদীকে পণ রাখার সময় পণের বর্ণনা হিসাবে যুধিষ্ঠির দ্বারা দ্রৌপদী দেহবর্ণনা...

আমি আত্মজৈবনিক, আমি অকাল্পনিক, আমি লিখি ব্যক্তিগত আত্মযৌনতা আদিরসাত্মকই – আমি যাই লিখি হয়ে যায় যৌনব্যাপার। কেউ অনেকটা অল্প খুঁড়ে পুকুর বানায়, কেউ একটুই অনেক খুঁড়ে খুঁড়ে কুয়ো বানায় এবং তবে বাংলার এক বিশেষ লেখনী ধারাকে অনুসরণ করে হই কুয়োর লেখক! এ বিষাক্ত কুয়ো ও এ লেখকের শিরায় শিরায় বিষ। দেহ ব্যতিরেকে আত্মা নেই। দেহ আছে তাই চৈতন্য আছে। দেহের মধ্যেই চৈতন্য বর্তমান তার প্রমাণ মদশক্তি। যেমন আখ, আঙুর এদের মধ্যে মাদকতা শক্তি নেই কিন্তু এদেরই মাধ্যমে প্রস্তুত মদ্যে রয়েছে নেশাকারক মদশক্তি। সেরূপই চতুর্ভূত সমন্বয়ে বিশেষ আধারে একত্রিত দেহে উৎপন্ন হয় চৈতন্য এবং তাহাই আত্মাপ্রতিম। যখন দেহে প্রাণ অতীত হয় তখন আর আত্মাপ্রতীতি চৈতন্যও থাকে না। দেহ বায়ু ও তেজহীন হয়ে পড়ে। তার ফলে ভূতাভাবে তাতে আর চেতনও থাকে না। চতুর্ভূত ও তার সমন্বয় – এ প্রত্যক্ষ প্রমাণ ব্যতীত অপ্রত্যক্ষ আনুমানিক আত্মাও তাই নেই। দেহ প্রাণময়; প্রাণহীন হলে যা রয়েছে তাকে আর সেই ব্যক্তি বলা যায় না। তখন তা কেবলই সেই নামের নামীর মৃতমাংসো। প্রাণ থাক বা না থাক, আত্মা থাক না থাক, মৃতে রয়েছে চৈতন্যমাংস। তাজা মরা তাই শবসাধনেও লাগে, শবযৌনতাতেও লাগে ...!

        “মৃতদেহে মন থাকে, খুব কম মন সকল মৃতের দেহে থাকে

       

         পুরোপুরি মরে গেছি, নিস্পন্দ নিথর হয়ে তবু সেই মৃতদেহ পাখি,

        গাছ যদি মরে যায় তবে যা থাকে তা – তাও গাছ, মৃত বলে অন্য কিছু নয়।

        সেইভাবে আমাদের মন মরে গেলে পরে যা থাকে তা – তাও মন মৃত্যুর নিয়মে।”

তবে দেহ আমি মরে গেলে যা থাকে তাও দেহ একই নিয়মে – কারণ যাহার আকৃতি যতক্ষণ এক অবিকৃত থাকে, ততক্ষণই তার গুণও অবিকৃত একই থাকে। দেহ যতক্ষণ বিকৃত না হয়ে পড়ে ততক্ষণ দেহমাংস সেই আমিই হয়ে থেকে যায়...

“অনাদি বেদনা আছে, অক্ষত চর্মের অন্তরালে

আহত মাংসের মতো গোপন বা গোপনীয় হয়ে”।

এক মৃত নারীদেহ তবে পড়ে আছে। উলঙ্গ। তুমি তার পীন স্তন মর্দন করতে পারো। শীতল কঠিন জমাট। তুমি কিস্ করতে পারো, ঠোঁট কামড়িয়ে ছিঁড়ে নিয়ে নাতিশীতোষ্ণ তবুও নোনতা স্বাদরক্ত। চুষতে পারো চুচুক, ঈষৎ শক্ত। যোনিতে আঙুল ঢুকিয়ে যতক্ষণ না হাত ব্যথা হয়ে যায় ততক্ষণ ধাক্কা মারতে পারো। শীৎকারহীন প্রতিক্রিয়াহীন না সিক্ততা না নাব্যতায় তার ক্লান্ত লাগে, ভয় লাগে কি?। যোনিতে লিঙ্গ ঢোকানো হয়তো হবে সামান্য আয়াসসাধ্য কারণ লিঙ্গ নিত্য ও এ যোনি মৃত...! তীব্র সাদা শীতলতা নিয়ে রেসপন্সহীন তবু মাংসোৎসব, এক কথা কেড়ে নেওয়া নীরব প্রবন্ধ হয়ে ওঠে রিগোরিয়াস মর্টিসের পূর্বঋতু। একে কি ধর্ষণ বলা যায়? মৃতের ইচ্ছা অনিচ্ছা আছে? এ বিষয়ে – এ দার্শনিকে স্বয়ং বুদ্ধও নিরুত্তর। মাথার সাথে মনের সাথে শোয়া হল অনেক; এবার শুধু ভূতূড়ে মাংসকে, শুধুমাত্র তার শারীরিককে আচার চুরমুরের মতো সম্পূর্ণ চেটেপুটে পূর্ণ শারীরবৃত্তিয়ে ভোগের বাসনা তবে শব যৌনতাতেই প্রাপ্ত হওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে। পুরুষ তো হতে হয়, এ শুধু দেহে নয় – মনে ব্যক্তিত্বে কাঠিন্যে পুরুষ মানুষের মতো পুরুষ মানুষ – অক্ষয় দৃঢ়বীর্যে, সমর্পিত লাবণ্যকোমলতায়, নরমে গরমে, ধর্ষ ও মর্ষকামে, প্রভু দাসী লুকোচুরিতে যদি বাস্তবেই সচেতন নারী উপনিবেশ অধিকার করতে হয় তবে। এসবের বালাই নেই, চোখা চোখা শব্দ ব্যবহার নেই, থাপ্পড় নির্যাতন নেই, নেই কথাসরিৎসাগর উস্কে উস্কে নারীচৈতন্য চলকে চলকে দিয়ে জোয়ার এনে পুবের হাওয়ায় হায় হায় হায় রে ধোঁয়াপাল তুলে তবে শিবের মতোন অটোপাইলট মোডে দিয়ে প্যাসিভে স্যুইচ করে যাওয়া সেমিকন্ডাক্টরের মতন – তখন প্রকৃতি ধর্ম নিজেকে নিয়ে নিজে যেভাবে তৃপ্ত হতে চায় তাই হতে দেওয়া –   

 “মাধ্যাকর্ষণের দেওয়া গতির উপরে এসে চাপে তার আপনার গতি, ... নিজেরই ক্ষমতাবলে সমুদ্রেরা ইচ্ছা করে নিজেরাই প্লাবন ঘটায়”। তাকে তবে হতে দেওয়া আর রিডিং নিয়ে যাওয়া এক উদাসীন পুরুষ – তবে যৌনতার পরীক্ষাগার খুলে যায়!

এতো গেল সৃষ্টির নিজস্ব নিয়ম। কিন্তু যে পুরুষের ব্যক্তিত্ব ব্যক্তিনারীত্বে ফেডস অ্যাওয়ে, জীবন্তে জড়তা, যার মানসিক ক্যান্ডেললাইট নরম, সলিটিউডের আঙ্কেলের ল্যাজসদৃশ অভিশাপ যার যৌন দোষ, যার নেই স্বাভাবিক যৌনতার জন্য প্রয়োজনীয় যথেষ্ট ব্যক্তিত্ব, আত্মবিশ্বাস, মনঃসংযোগ ক্ষমতা, যার যৌনসক্ষমতা যথেষ্ট নেই স্বাভাবিকের জন্য যতটা ন্যূনতম ... তবে তার প্রয়োজন শিশুকাম, পশুকাম ও শবকাম। ব্যক্তিত্বহীন পৌরুষহীন এ হীনমন্যেরই তবে এই ভালো মানসশক্তিক্ষয়হীন মনঃসংযোগ বিঘ্নিত না হওয়া ডিমলাইটের আলোয় নিজের চেনা ঘরে নিজের খাটে পশ্চিমের দেওয়ালের দিকে চিৎ করে রাখা এক বছর ২৫-শের অনেক হাতপড়া ডবকা নাতিশীতোষ্ণ মৃত নারী দেহ – চেনা মদ চেনা সিগারেট চেনা চেনা রাত সহযোগে...

বস্তুত কঙ্কাল কান্ডে কোন প্রকারেরই বিস্ময় বা কোন মানসিক বিকারের কথা মনে হয়নি । যতক্ষণ দেহে বিকৃতি না আসছে ততক্ষণ দেহ দেহই, আর নারীদেহ হলে তা ভীতুভোগ্যাই। এ আমি এ ঘটনার আগেও অনেকবার ভেবেছি। আবারো ভাবি, নারীদেহের কোন অঙ্গ না থাকার কথা কদাপি ভাবতে পারি না, কান বা একটি স্তন বা দুটি আঙুল নেই – প্রতিবন্ধী নারীদেহ কল্পনা বিরল, পূর্ণতঃ সমগ্র নারীদেহই কল্পনায় আসে, আমার ড্রিমগার্ল হাগতে বসলে কেমন লাগে এমত কল্পনা কদাপি কেউ করে না, নারী মাত্রই সৌন্দর্য ও দেহফসলে ক্ষুধা মেটানোই তাই এবং দেহ যতক্ষণ থাকে তাই ভোগ করে যাওয়ার, মৃতদেহ হলেও মানসিক বিকৃতি কোথাও দেখি না।

মা তোমারও তো বাতানুকূল যোনি ছিল”। আমার বন্ধু ‘সৌরভ চ্যাটার্জী’ আমার মতে শূন্যের সবচেয়ে স্মার্ট লেখক!

- মা, বাবা বিছানায় কেমন ছিল?

- মা, বাবা তো একটাও রবীন্দ্রসংগীত জানে না। একটাও সিনেমা তোমাকে দেখিয়েছে বলে মনে হয় না ... ভিক্টোরিয়া কি গঙ্গার পাড় কি কফিহাউস... নাঃ, প্রেম করতেই জানে না লোকটা – ভোকাট্টা কাঠখোট্টা টাকা আনা পাই লোক একজন – কিভাবে সারাটা জীবন কাটালে মা মানুষটার সঙ্গে?

- তোমাদের চাহিদা মেটাতেই যে ওনার সবটা জীবনীশক্তি ক্ষয় হয়ে যায় হেম। কর্তব্য তো সারাজীবন যথাযথভাবে পালন করে গেলেন। প্রেমিক ছিলেন না, প্রেম দেননি কখনও অবহেলা আঘাতও তো করেননি! কম্বলটা ঠিকমতো গায়ে জড়িয়ে শোয়, ডিসেম্বরের রাত, জানলার পাট ভাঙ্গা, নিজের যত্ন নাও, মানুষের সমাজে বাস করার মতো হও হেম। মনে রেখো ওনাকে নিয়ে উচ্ছ্বাসের যেমন জায়গা নেই, অভিযোগেরও অবকাশ নেই। সুখী কি না জানি না, শান্তিতে আছি।

যদি, হায়, সে জমানায় ক্যামকর্ডার আজকের যুগের মতো সহজলভ্য হতো তবে নিজের, নিজের জন্ম নেওয়ার গর্ভাধান মুহূর্তগুলি যদি নিজে প্রত্যক্ষ করতে পারতাম! এ যুগের বাঙালির শিকড় তবে ওই মুহূর্তগুলোর সাক্ষী গোপাল হতে পারা। A flesh borned out of flesh, আমি এক মাংসের সন্তান – এছাড়া রক্তমাংস নিয়ে আর কি বলবো!

পাঠক ভাবে আমি উন্মাদ আর আমি ভাবি এ লেখার খেলায় খেলায় যদি আনসেন্সরড ইম্পালসগুলো ফ্লো করিয়ে দিতে পারি তবে আপনিই যাবতীয় কনফ্লিক্ট কমপ্লেক্স রিজলভ করে যায়, যাকে বলে বিনে পয়সায় সাইকিয়াট্রিস্ট!

পুরুষের যদি লিঙ্গকর্তনভীতি থেকে থাকে তবে নারীরও স্তনকর্তনভীতি থাকা উচিত। যদি নারীর পেনিস এনভি থাকে তবে পুরুষেরও প্রেগনেন্সি এনভি থাকা উচিত।

সন্তানমাত্রই হয় অজাচারী, জল খাওয়ার মতোই স্বাভাবিক উহা। আমার মনে পড়ে যায় আনন্দবাজারের পাতা থেকে অধুনালুপ্ত ব্যক্তিগত সমস্যা ও তার সমাধানের প্রশ্নোত্তরের চিঠিচাপাটির হারিয়ে যাওয়া সংলাপ…

প্রশ্নঃ আমার এক বন্ধুর মার প্রতি যৌনআকর্ষণ অনুভব করি। আমার মার আলু থালু পোশাক, তার স্পর্শ গন্ধ আমাকে সেই বন্ধুর মার প্রতি কল্পনায় আরো বেশি করে আকর্ষিত করতে থাকে। ব্যাপারটা নিজের কাছেই চরম অস্বস্তিদায়ক হয়ে উঠেছে কিন্তু আমি অসহায় অপারগের মতো এই অবশেসন থেকে বেরোতেও পারছি না। আমার কোন প্রেমিকা যৌনসঙ্গীও নেই। কি করা উচিত বলুন তো!

পত্রিকাঃ ভেবেছেন এমন একটা প্রশ্ন করবেন যা পত্রিকা ছাপাবেই, তাই না! বন্ধুদের সঙ্গে চ্যালেঞ্জ ছিল নিশ্চয়ই! আর কি করবেন, একটা বান্ধবী কোথাও জোগাড় করুন নাহলে মাতৃকাম ডিসপ্লেস করার অবচেতনের খেলাটা থামবে না। মেয়েদের সঙ্গে কমিউনিকেশন বাড়ান তবে ওই ইম্পালসটা অন্যভাবে ফ্লো অফ করে যাবে, ভাববেন না, বয়ঃসন্ধিতে আমরা সবাই কমবেশি এরকমই ভেবেছি!

ভেবেছিলেন কিনা জানি না বাট আমার একজন বান্ধবী লাগাবে। মাতৃকাম ও তাকে ডিসপ্লেস করে নির্জ্ঞানের এই কনশাসকে ভাঁওতা দিয়ে কোনমতে স্থিতাবস্থা ধরে রাখার খেলাটা আমার কাছে একেবারে ওপেন হয়ে গিয়ে কি যে অভিশপ্ত করে তুলেছে নিজের বিবেক! লেখায় একটু কমনীয়তা, কম রুথলেসনেস, সামান্য সৌন্দর্য ও ছন্দ আনানোর জন্যই একটি ঝুটা হি সেহি প্রেম দরকার আমার। লেখার জন্যই সব কিছু কোন কিছুর জন্য লেখা স্যাক্রিফাইস নয়…। পুত্রসন্তান তার অমোঘ যৌনতাকে যখন মাতৃ আধারেই বাধ্যতঃ বা অভ্যাসতঃ প্রবাহিত করে, যখন তা তার চেতনের এলাকাতেও ঢুকে পড়ে, তখন তার ফলে জাত সেন্সর আত্মপ্রতিরোধ ও বিবেক দংশনে যখন সে অত্যন্ত বিচলিত বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে – অভিশাপগ্রস্তের মতো যন্ত্রণা পায় এবং এই যৌনতা ও তা প্রবাহের আধার নিয়ে চরম মানসিক টানাপোড়েনে জর্জরিত হয় এবং তা থেকে রক্ষা পাওয়ার তাগিদে, যন্ত্রণামুক্তির উপায় হিসাবে মানসিক টানাপোড়েনহীন শৈশবে ফিরে যেতে চায়; যেখানে নেই কনফ্লিক্ট, বাস্তবের রূঢ়তা, আছে শুধু চিন্তাহীন নিরবিচ্ছিন্ন প্লেজারই শুধু… কিন্তু সে অবস্থায় সে কখনোই ফিরে যেতে পারে না এবং তার জন্য মাকেই দায়ী করে, তার যাবতীয় ইনসেস্ট ফিলিং-এর দোষ ও যন্ত্রণার দায় মার ঘাড়ে চাপিয়ে শেষপর্যন্ত সে বানায় টেরিবল মাদার – ক্ষতিকারী ধ্বংসাত্মক মাকে। তখন সেই মা তার অজাচার পাপ ও পুনর্শিশুত্বলাভের বাস্তব বিচ্ছিন্ন পলায়নবাদের শাস্তি দিতে হয়ে ওঠে করালবদনী সময় ও অস্তিত্বখেকো কালী – মাংসলোলুপা রক্তলোলুপা মাতা রাম-রাবণ, চেতন-অবচেতনের যুদ্ধের প্রান্তরে রক্তশোণিত মাংস সুখে ভক্ষণ করেন, যেখানেই মৃত্যু বিভীষিকা সেখানেই মৃত্যুরতা উন্মাদিনী … হে মা, অজাচারী সন্তান ছাড়া যেমন হয় না, তাদৃশ তুমিও তার অজমাংস করাল জিহ্বা দ্বারা লেহন চর্বন করতেই থাকো তার আজীবন ধরে তবে এই খেলা চলে … a fleshy entity borned out of flesh … a struggle of and for beyond of flesh

এক রাক্ষস একদা মহাদেবের তপস্যা করেছিল। বর হিসাবে সে প্রার্থনা করে অনন্ত ক্ষুধা। তবে বর পাওয়া মাত্র তার এত ক্ষুধার উদ্রেক হয় যে সে তার নিজের দেহই ভক্ষণ করতে শুরু করে। নিজের সমগ্র দেহ ভক্ষণ করে তবু ক্ষুধা তবু ক্ষুধা অবশিষ্ট পরে রইল শুধু নিজের মাথাটাই। রাহু কেতুর গল্পের এক ভ্যারিয়ান্ট এই গল্প। বস্তুত অন্ত্যজ নিম্নবর্গ ডোম দোসাদ ইত্যাদিদের দেবতা রাহু, এক ব্রাহ্মণবাদ বিরোধী বেরেলিয়াস সত্ত্বায় নিজেকে একাত্মবোধ করে নীচু অস্পৃশ্যরা। জবাকুসুমবর্ণের এক তাজা মাংসপিন্ডকে ভক্ষণ করে রাহু, এতো ক্যানিবলিজম! এই অস্পৃশ্য অন্ত্যজ রাহুদের স্পর্শে তবে চন্দ্র সূর্য অপবিত্র হয়, তবে রাহুর ক্ষুধা গ্রাস ও ‘অপরাধপ্রবণ উপজাতি’দের কৃষিহীন ক্ষুন্নিবৃত্তি তথা তস্করবৃত্তির অনন্ত দারিদ্র্য অনন্ত ক্ষুধাকে নিবৃত্ত করতে জন্ম হয় ‘অর্থনৈতিক ধর্মতত্ত্বের’ যা গ্রহণকালে দান ভিক্ষা ইত্যাদি দিয়ে তৃপ্ত করতে চায় রাহুদেবের উপাসকদের এবং রাহু ও তাদের মিডিয়েটর এইসব অন্ত্যজদের তৃপ্ত করার মাধ্যমে রাহুকেই শান্ত করে ফিরে পেতে চায় ব্রাহ্মণ্যবাদের দুই স্তম্ভ সূর্য ও চন্দ্রকে এবং তাদের পবিত্রতাকে। তা সে বাল্মীকি যতই আর্যকেতন ওড়ান, প্রকৃতপক্ষে তিনি এক মধ্যভারতের উপজাতিয় তস্কর ও ‘মা নিষাদ’ ছন্দ আবিষ্কার অর্থে যাহা নিষাদ ব্যাধ ইত্যাদির অপ্রাপ্য তাতে হস্তক্ষেপ করা, তাতে ব্রাহ্মণ বনাম নিম্নজাতের বিরোধ ও কার জন্য কতটা শাস্ত্রসম্মত অধিকার তারই বর্ণনা। তাই ট্রাইবালদের মধ্যে দাবানলের মতো উদগ্র ও মহামারীর মতো ব্যাপ্ত রামকথার কাহিনী। যা কেবল তাদের এই হতভাগ্য দশাকে আধ্যাত্মিক সান্ত্বনাই দেয় না, তাদের সংস্কৃতি তাদের রাজনৈতিক চেতনা ও বিদ্রোহাত্মক মনোভাবকে উজ্জীবিত রাখে। এভাবেই বহু অন্ত্যজদের আদি পুরুষ হন বাল্মীকি বা রাহু।

সূর্য চন্দ্রের মাংসদেহ ভক্ষণের গল্প হল। এবার এক আলিফ লায়লা গল্পের ভ্যারিয়েশান। এক ক্ষ্যাপা তুঘলকি বাদশা ছিল। যার প্রিয়তম খাদ্য ছিল কোমল নারীমাংসের মধ্যে কোমলতম লোয়ারলিপের মাংস। ঠোঁটের মাংস, কাঁচা জিভের মাংস আর টাটকা গরম নুন নুন রক্ত। তাই প্রতিরাতে তার দরকার ছিল একটি করে নতুন মেয়ে। হাল্কা ডিনারের শেষে বেসিক্যালি ক্যালসিয়াম ডেফিসিয়েন্সির এ একাকী ক্যানিবলের লাভ মেকিং মানে লোয়ার লিপ আর জিভ চুমু খেতে খেতে ছিঁড়ে নিয়ে কাঁচা চেবানো, তাজা রক্ত দিয়ে মাদকতা করা। রূপকথায় নায়ক নায়িকারা মহাকাব্য মিথলজির থেকে আলাদা এই জায়গায় যে তাদের মধ্যে মরালিটি নেই, কোন ম্যাসেজ ক্যারি করা বা ধর্মতা নেই, তাদের চরিত্র ব্যক্তিত্ব নাম বা চেতন নেই সুতরাং তারা যেন শিশুর হাতে খেলার পুতুল হিসাবে তুলে দেওয়া বিশ্বসৃষ্টিকে… যাকে নিয়ে সে যুগপৎ চরম স্বেচ্ছাচার হিংস্রতায় ও প্রবল সারল্যে কী করবে তা অনির্ণেয়… একদিন আরব্যরজনী নিয়ে স্বতন্ত্র প্রবন্ধ লিখবো নিশ্চয়ই… ওভার অল রূপকথা নিয়ে অ্যাটলিস্ট একটা বইতো বটেই।

প্রফেসর ডাক্তার শান্তনুর ডায়েরি থেকে

২২ শে জুলাই, ২০১০

আমার প্রেমিকার মৃত্যুসংবাদ শুনলাম। ‘প্রায়’ ওয়ান সাইডেড জীবনের একমাত্র প্রেম। দীর্ঘদিনই সে বিবাহিত ছিল এবং এখন আমরা চালসে। তার সঙ্গে আরো অন্ততঃ একবার সঙ্গম করার বাসনা আমাকে অন্য কোনো স্থায়ী সম্পর্কে থাকতে দেয়নি। এবং প্রেমটা আমার বিলেত ফেরৎ প্রফেসর ডাক্তারের গুলিয়ে দিল বুদ্ধি দাদুর…

২৩ শে জুলাই

স্মি-এর মৃতদেহ আমার অ্যাসিস্টেন্ট নকুলকে দিয়ে হাইজ্যাক করিয়ে আনালাম। লক্ষ্য সেই আরো অন্ততঃ একবার সঙ্গমের তাড়না, অতৃপ্তি। এই মৃত স্মি দেহ সংরক্ষণ করে যথেচ্ছ যৌনতা করতে পারব বলে। স্মি এর জুশি পুসি, বিগ বিগ বুব, পৃথুলা পাছা, সোমত্থু গভীর নাভি সহ ঈষৎ স্ফীত তলপেট, গোলাকার থাই ও কাফ মাসল নিপুণভাবে কেটে নিয়ে পচনশীলতা বিরোধী সলিউশানের জারে আলাদা আলাদা করে রাখলাম। রাত্রের মধ্যে পুরো ক্যামিকালের কাজটা সেরে ফেললাম। হায়, স্মি দেহে তারা সংযুক্ত অবিকৃত থাকলে যে সুখ দিতে পারতো এক্ষেত্রে তা কদাপি পাব না কিন্তু গোটা স্মিশবদেহ দীর্ঘদিন ধরে সংরক্ষণ করে রাখাটা পার্সোনাল ল্যাবরেটরিতে কষ্টসাধ্য। একদিন স্মিতে উপনিবেশ যখন গাড়তে পারিনি তখন এখন পার্টিশন করে দিয়ে স্বাধীনতা উপভোগই করি!

২৫ শে জুলাই

আজ খুব টিপলাম, চটকালাম। স্মির বড় বড় দুধ, ভারী হিপ, থাইতে খুব হাত বোলালাম। নাভির নীচের মাংস ও মাঝারি সাইজের যোনি হালকা হালকা কামড়ালাম। তবে স্মির সঙ্গেই সেক্স করলাম একথা বলা যায় কি? পুশি, বুব ভ্যাজাইনা, হিপ শব্দ হিসাবে শব্দের পলিটিক্সে প্রভু শব্দ – নারীদেহের যৌনতার একক সকল – এদের মাধ্যমেই নারীযৌনতার মেজারমেন্ট হয় – এসব অঙ্গগুলো স্মিদেহে থাকলেই তবে স্মির – তার বিপরীতে নাম কা ওয়াস্তে ছাড়া তাদের আর মালিকানা থাকে না, তবে আমার শুধু সান্ত্বনা থাকে।

২৫ শে জুলাই, রাত ১১.৫৫

রাত্রে আর একবার নাড়াঘাটা করে ডিনার শেষে ঘুমোবার আগে ল্যাবরেটরিতে গিয়ে দেখলাম যৌনাঙ্গগুলো বেশ তাজা সজীব লাগছে। ব্যবচ্ছেদিত মনেই হচ্ছে না, গ্লো রেডিয়েন্ট করছে। নারী শরীরে সংযুক্ত থাকলে যে স্বাভাবিকত্ব থাকে দেখলাম একেবারে সেরকমই, কোমল ঈষদুষ্ণ। এত খুশি হলাম যেন সমগ্র স্মি জীবনে তার একমাত্র ঈপ্সিত পুরুষ ছিলাম আমিই… চুরুট ধরিয়ে শুতে চলে গেলাম।

২৮ শে জুলাই, রাত ৯.১০

সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত ভয়াবহ ব্যাপার শুরু হয়েছে ল্যাবরেটরিতে। এক ভয়ংকর ব্ল্যাক ম্যাজিক যেন। অঙ্গগুলো শুধু ভীষণ সতেজই নয়, আকারেও ক্রমশঃ বড়ো হচ্ছে, ছুঁলে ইলেকট্রিক শকের মতো মৃদু মৃদু দিচ্ছে। পচন বা রিগর মর্টিসের একেবারে বিপরীত কোন প্রক্রিয়া চলছে যেন। আরো বড়ো জারে ওদের রাখা হল এবং তা সিল করে দিলাম। নকুল বলছিল এখুনি ওগুলো পুড়িয়ে দিতে কিন্তু রাজি হলাম না। দেখলাম অঙ্গগুলো পরস্পরকে চুম্বকের মতো আকর্ষণ করে ঘরের কেন্দ্রে একত্রিত হওয়ার জন্য জার শুদ্ধু টেনে টেনে ঝনঝন করে এগিয়ে যাচ্ছে। ল্যাবরেটরির দরজা তালা দিয়ে নিজের ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিয়ে ইন্ট্রিটা লিখে রাখছি। ও ঘরে প্রবলভাবে কাঁচভাঙ্গার শব্দ, প্রচন্ড গোঙানির মতো আওয়াজ যেন ধ্বংস ও ঝড়ের দেবতা ওটানের ঘুম ভেঙ্গেছে…

রাত ১২.০৫

স্মিদেহ জেগে উঠেছে। যদিও চোখ, ঠোঁট আর দাঁতের পাটি, গাল, বুক, কোমর, তলপেট, হিপ যোনি আর কাফ মাসলগুলোই জোড়া লেগে এক বীভৎস অ্যাবঅরিজিনাল ধ্বংসের দেবীর মতো লাগছে তাকে। ঘরের সিলিং অবধি বিস্তৃত হয়েছে তার দেহ। দরজার চাবির হোল দিয়ে দেখছিলাম সে শরীরে রক্ত নেই, হাড় নেই, শুধু মাংসপিন্ডগুলো জোড়া লেগে এক পিঠহীন, নাক কান ঘাড় পাঁজরহীন, হাত ও পায়ের পাতাহীন এক মাংসসর্বস্ব জেলিফিশ জেলিফিশ টাইপ সাদা ফ্যাটফেটে অথচ জোম্বী দানবীসুলভ শক্তিমতী সে ল্যাবরেটরির দরজা ভেঙে ঝাঁপিয়ে পড়ল আমার শোবার ঘরের দরজায়…

…এরপরের ঘটনা আর ডায়েরিতে নেই। এরপরের বিবরণ পাগল ডাক্তারের চাকর নকুলের –

সেই ডাইনী দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকলো। ঘরে ঢুকে ধীরে ধীরে তার যোনির দুটি ঠোঁট হাঁ হতে লাগল, বিরাট সেই হাঁ তার সমগ্রদেহব্যাপী মাংসল রঙের কৃষ্ণ গহ্বর…- ডাক্তারের পুরো দেহটাকে অজগরের মতো ভিতরে একটু একটু করে গিলে নিল জরায়ুর চিরন্ধকারের গর্ভে এবং স্থির হয়ে পড়ে রইল। দু-একঘণ্টায় হজমও করে ফেলল পুরো ডাক্তারের শরীরটাকেই, পেটের স্ফীতি একটু একটু করে কমতে কমতে আবার সমতল হয়ে গেল। ডাক্তারের দেহটা যেন ৮ বছর, ২ বছর, ১১ মাস, ৭ মাস হতে হতে রিভার্স প্রজনন ক্রিয়া হতে হতে চেতনা লোপ পেয়ে একেবারে বিলীন হয়ে গেল তার প্রেমিকার মৃতদেহের কালের গর্ভে… এবং পুরো প্রক্রিয়াটা সম্পূর্ণ হতেই সেই স্মিশরীর প্রচন্ড শব্দে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে ফেটে গেল আর ১৫ দিনের মড়ার পুঁতিগন্ধময় বমিগন্ধে গোটা বাড়ি হয়ে গেল…

বাস্তব বিচ্ছিন্ন লেখক আমি একজন, তার থেকেও বড়ো অপরাধ জনগণ বিচ্ছিন্ন…। কতদিন আর এই প্রবন্ধমূলক কেতাবি যৌনতায় কোকেনের মতো আচ্ছন্ন থাকা যায়… জীবন্ত মানুষের জ্যান্ত জীবনসংগ্রাম নিয়ে যদি লিখতে পারতাম… অন্ততঃ সেল্ফ স্যাটিসফেকশন থাকতো…। আমি অপারগ, অসহায়, একা, ইন্দ্রিয়ের দাসানুদাস আমার বান্ধবী দূর সে অর্থে বন্ধুও নেই কোনো। ভেবেছিলাম একাই আমি হাঁটছি এতকাল/পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখি আছে মহাকাল…! কিন্তু তোমাদের তো তা নয়, তবে কি আপোষ না চেতনার দৈন্য না লজ্জা, ঘৃণা, ভয়? মনের গহিনগুলো ওপেন সিক্রেট করতে ভয়, শুধু ভয়? মনের সঙ্গে বলা কথাগুলো, সত্যি কথাগুলো বলতে পারছো কি? লিখতে গিয়ে অনেক কষ্ট পেয়েছি, তবু শুধু এইটুকু জানি – যাহা বলিব সত্য বলিব। ‘ছিল্প’ মাড়াবো না। আমার তো হল না, তোমরা সত্যি কথা বলার সাহস আর জনগণ সংযুক্ত থাকলে তবে বিশ্বাস রাখি চরম স্বার্থপর, ইন্দ্রিয়ের দাস জেনারেশনটার কিছু হবে…

আর একদিন তো আসবেই যেদিন আর বাহির পানে নয়, নিজের হৃদয়মাঝে প্রেম খুঁজবো, নারীতে আর যৌনতা খুঁজবো না, নেশার্ত হতে গেলে রাম নয় নিজের বডি অ্যালকোহল চড়িয়ে নেব যখন, বিদ্যার পাটোয়ারী অহং বিসর্জন দেব, মনের ভিতর বাঁশি বেজে উঠবে আর যত্র যত্র নেত্র পড়ে কৃষ্ণ স্ফূরে স্ফূরে উঠবেই একদিন, ইন্দ্রিয়কে খেতে দেব যথেষ্ট খিদে তার পেলেই তবে আর আত্মজানা হয়ে তবে বিলোব দেদার একটুও ভবিষ্যতের ভয় না পেয়ে – অন্তত কিছু তো একটা করা হবে, more meaningful then this আবোল তাবোল slanguage writings – আমার জন্য একটু হে মহান পাঠক প্রার্থনা করুন।

(লেখাটিতে ব্যবহৃত কাব্যপংক্তিগুলি কবি বিনয় মজুমদারের)


0 কমেন্টস্:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন