ষষ্ঠ বর্ষ / চতুর্থ সংখ্যা / ক্রমিক সংখ্যা ৫৬

শনিবার, ৬ জানুয়ারী, ২০১৮

মৃণালিনী


অমাবস্যা


(১)

ইনব্রোন কাবুকি রক্তকণিকা
চিল্কে বেয়ে পূর্ব পুরুষের গরিমা
অন্তঃসাগরীয় বিমোচনের উপসর্গে
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন স্ট্যাচু গ্রাহ্য
বন্ধ্য পুংকেশর ছাপা স্ট্যাম্পেও বুলিয়ে নিছে উষ্ণতা।
আঁচল খসে পরে
             নিস্ক্রিয় হাওয়া
গ্লরিয়াস ঠোঁটের চাহুনিতেই এক যুগ
হবেই না কেন? মৌলিক অধিকারের ধারা সচল।

পরকীয়ার আস্বাদে গুঞ্জন নির্বাক মার্বেল চোখ
তুলোর আঁশে কেটে যায় রহস্যময় সকাল।

(২)

এলোমেলো শুকনো পাতায় জোনাকির মৃতদেহ
আগুনের অবশিষ্ট
ডাস্টবিনে জমা
ঝরাপাতার গল্পমাখা।

বলিরেখা মেকওভারে সত্যি মিথ্যার পাঁচালিতে গুল
পাঁচালি মিথ্যে শব্দে গড়া
হওয়াটা অসম্ভব নয় ! প্রমান সাপেক্ষ্য।
রোমকূপ যখন পরিবর্তিত বরফের চ্যাঁই।

(৩)

মূক চোখের দৃষ্টিতে পবিত্রতার স্নানগ্লাস
তুমি কি তোমার অতীত ভুলে গিয়েছ সাবিত্রী?
                          মনে পড়ে না কিছুই?
চামড়ার কত পোশাক বদল হলো গাঁটছড়ায়!
পায়ের চটি লেপটে মায়ের জরায়ুর রক্তস্রোত
পরিবারের আশীর্বাদ নিঃশেষে চলমান কঙ্কাল
হুকুমের গোলাম চামড়া দিতেও প্রস্তুত।

ন্যাকামি নাকের বড় বটের দোলায় দ্যোদুল্যমান
পেলব মনের কঠিন মাঠে দেওয়া গোল।

(৪)
ভাঙ্গা গাঁটছড়ায় প্রেতের জীবনযাত্রা
সাতপাকের মন্ত্র
মুত্রনালীতে বদ্ধ
ইচ্ছে হলেই হালকা।
জ্বালাময় বিবেক রাস্তায় ধুলোময়
সাবিত্রী সত্যবানের আধুনিক মিথ জড়িয়ে জড়িয়ে
স্বশরীরে সতীন লালন
নিভৃতে উঠে আসে প্রথম গাঁটছড়ার সুতো
দ্বিতীয়তার ব্যস্ততায় প্রেমিকের দায়িত্বে রেশ।

নব যৌবনের আঁশ
প্রত্যেকের ভাগে ভালোবাসার সুতো না হলেও সান্ত্বনা আঁশ
পুরুষ ছাড়া কি কিছুই চাওয়ার নেই?  

(৫)

কত সহজ বিছানা বিনিময়
কুমারীর স্বপ্নের ভীত মরুভুমি
আবেগ আলোচনার নিষ্ফল বিষয়বস্তু
             এলিজাবেথ সত্ত্বায় সত্ত্বায়।

দুধের সাগরে ইশারার ভঙ্গিমা  
আগুন নিভে গেলেও ধোঁয়ারা ব্রহ্মাণ্ডে থাকে
কুণ্ডলীর পাকে পাকে প্রশ্ন-
উত্তর সহজপাঠে।
                 শিশুর মুখে মুখে...
নতুন বা পুরনো সিঁদুর হলেই বিয়োনো যায়
মাতৃত্ব রোজ খসে পরে জিন্সের হিপ পকেটে।

(৬)

নরম পলি স্তরে স্তরে ভাঙ্গা
মেটে শরীরে
এক একটি অংশ
একটি জ্যান্ত জীবন্ত প্রতিমার শরীর।
অব্যবহিত টুকরো টুকরো
আছড়ে পরে নরম ঘাসের বিছানায়।

কঙ্কাল ঘোরে চোখের সামনে
সান্ত্বনায় সাম্রাজ্ঞীর চকচকে এক গাল হাসি
রাজা অসহায় চিরকাল
রানিদের প্রতিযোগিতায়।

রানির সংখ্যা শূন্য হতেই শুরু...
সাম্রাজ্য দখলে বিধবা বিনোদিনী শ্রেয়।
এলিজাবেথ বিনোদিনীর কোরাসে জীবন নাট্যময়
অলকানন্দা হাসে-

শরতে ঝরে পড়া মৃদু মৃদু গান
রানি বদল হলো
রাজার হাত উর্বশী রম্ভার কাঁধে
বিনোদিনীরও সিঁদুরে সংসার।


(৭)

বহনকারীর কাঁধ আজ ভারবাহী
এঁটোপাতা শুকিয়ে নতুন পাতায় সম্রাট
কোলস্ত্রোজের সাদা মুলোর বশ্যতা
           রস শেষেপরে থাকা চোকলা।
তুমি আয়নায় নিজেকে দেখো
না হয় আরও একবার

আধুনিক বিনোদিনীর বশ্যতায়
                  তোমার কি পরম সুখ?
কোথায়  লুপ্ত হরিণীর চোখ
পায়েসের সঙ্গে সাহিত্যের মিষ্টত্ব পরিবেশন
আদো আদো মুহূর্তের শেষে জরায়ুর বন্ধন পালন
কার নামের নামাবলীর প্রতিপালন?
বলিরেখা ঢাকতেই যখন বিউটিপার্লার!

(৮)

মনের লক্ষ্য স্থির - এঁটো পাতে আরাম
স্তৈন্যর সমালোচনার দায়ভার নেই বুদ্ধিজীবীদের

কেনই বা থাকবে?
অনধিকার চর্চা!
রোজ রাতে সর্গ থেকে নেমে আসেন ঈশ্বর
নৈবদ্যে উর্বশী আর রম্ভার উপহার
মুখ মুখোশের খোলস
                 দিনরাত
                     রাতদিন
ভীষ্মের শরশয্যায়  যাপন।

(৯)

অট্টহাসির কোরাসে নিষ্প্রাণ জীবন
একটি বীজ মায়ের জরায়ু ছিন্ন হয়ে
বাবার কাঁধ ঝরেছে মাটিতে
গাছ বড় হচ্ছে
শাখা- প্রশাখা ছড়িয়েছে
ভরা জোয়ারে আহ্বান
নদী শুকনো হলেও অভ্যন্তরে  জল।

(১০)

মার্ককেজের গভীর অনুভূতি
রোজা কাবারকাসের গুপ্ত কুঠুরিতে
প্রেমের অনুভূতি জীবনের শেষ দৌড়গোড়ায় দর্শন।
ক্ষমতা কাম অর্থের প্রতীক্ষায়
শূন্য চরের কিউ-তে তুমি শুধুই ধুলোবালি আকাশ!



0 কমেন্টস্:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন