কালিমাটি অনলাইন

চতুর্দশ বর্ষ / সপ্তম সংখ্যা / ১৪৬

দশম বর্ষ / একাদশ সংখ্যা / ১১০

চতুর্দশ বর্ষ / সপ্তম সংখ্যা / ১৪৬

শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০১৫

দেবযানী বসু

মা আছে   

             

                 
পাতাঝরা একটা শিরীষ গাছকেই বাছা হলো। সাদা ক্রেপ কাগজের থোকা থোকা ফুল  তৈরি করে ডাঁটিতে সেলোটেপ দিয়ে গাছে সাঁটালাম। আগুনের খেলা মনে শান্তি আনবার জন্যে। চার্চের ঘড়ি ঝলসে উঠছে।

গো অ্যাজ ইউ লাইকের ইন্দিরা গান্ধী কী ধরনের জুতো পায়ে পড়বে এটা নিয়ে  সমস্যা হতেই, লেটুস ওর দড়ির জুতোটা ধার দিল। জুতো আনতে গিয়ে চোখে পড়ল খাটের তলায় চকোলেট আর আপেলের ট্রে। লেটুসের বিজ্ঞানপাগল বাবা বললেন, ওটা ব্রুনোর কাজ। ব্রুনো নামকরণ জিওরদানো ব্রুনো থেকে। আজ নাকি সান্টা ক্লজের জন্মদিন! সান্টাকে উপহার দিতে হবে। লেটুসের মনে প্রশ্ন থেকে যায়, অ্যাডভারবিয়াল  ক্লজ ও নাউন ক্লজের চ্যাপ্টারে সান্টা ক্লজ কেন পড়ান হয় না। আশ্চর্য!  

ব্রুনো মায়ের ছবির সামনে এসে প্রণাম করল। মনে মনে চোরেদের শাস্তি দাবি করল। আর দাদা যেন গো অ্যাজ ইউ লাইকে উপহারটা আনতে পারে। বাবার বহু পুরনো  একটা রাক্ষস খোক্ষসের বই স্কুলে উপহার পাওয়া স্টোররুমে তোলা আছে। মাকে চোরেরা ধরে নিয়ে গেছে। চোরেরা সুইমিংপুলে লুকিয়ে ছিল। সেভাবে কেউ সাঁতার কাটত না বলে কালো মাথায় বেগুনি ঝলক খেলানো হাঁসেদের সংসার ছিল।

রুবি আন্টির কথা লেটুস একটু জানে। তার একটা ড্রেসিং গাউন ছাড়া আলমারিতে আর কিছু নেই। আর আছে একটা টিপের পাতা।                      

0 কমেন্টস্:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন