![]() |
| কবিতার কালিমাটি ১৫৪ |
মৃত মুনিয়ার ভোর আর এক কাপ তেঁতো কফি
(১)
মৃত্যুকে উল্লাসদৃশ্যে সাজিয়ে মানুষের তৃপ্তি চুঁইয়ে পড়ল
সীমান্তরেখার দুই পারে, বিকশিত রজনীগন্ধা তুমি মুখ নিচু
করে
ঘরে ঢুকে গেছ হায় সমুদ্রের আকাশের সমস্ত নীল ছিঁড়েখুঁড়ে
(২)
কাঠের বাক্স খুলে আর কতবার জ্যোৎস্নার পথে
বাড়ির
মূল্যবান বারান্দায় বারান্দায়
ঢেলে
দেবো
ফুরিয়ে
আসা রংপেন্সিল, বিকল আলোর সুইচ, পাঞ্জাবির বোতাম?
কিংবা
ব্যথার মলমের শিশি, কড়ি ও ঝিনুক?
সুড়ঙ্গের
শেষে হলুদ আলো দোলায় একটি শিশু
অথচ
পায়ের ছাপ নেওয়া অজস্র কাগজ
গড়িয়ে
বেড়াচ্ছে ঘড়ি আর কম্পাসের সঙ্গে নৌকার পাটাতনে
আর
নৌকোটা দুলছে অফুরন্ত ঝড়ে
(৩)
প্রাগৈতিহাসিক দাঁতে সজ্জিত নৃমুণ্ড
হেসেছে, অভিবাদন জানিয়েছে
তার হাঁ-এর ভিতর থেকে কষা এবং তেঁতো দিনের আলো
প্রথম সূর্যকিরণের মতো এসে পড়েছে সত্যের ওপর
এরপর সত্য নিজেই বদলে গেছে।
তথ্য খুঁড়ে খুঁড়ে বার করে জল ঘুলিয়ে দেওয়ার একটা লোক
মুখে গাজরের রং নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ল কুমড়োসদৃশ আকৃতির ওপর
বলল - নতুনের স্বাদ পেতে মদ যদি বদলাতে নাও পারো বোতল
বদলাও!
নিস্তব্ধ রাতেও যেন সূর্যোদয়
হায়রে ভোরের পাখি!
(৪)
কোন্ হত্যাদৃশ্য দেখে টের পেলে
সভ্য
মানুষের অর্জিত কলার খামচে ধরেছে খাওয়াপন্থীরা আর ধর্মবন্দীরা!
কালচারের
এখন নতুন নতুন নামকরণ লাগছে – থ্রেট! মব!
এখনই
তো বিমূর্ততার ক্রোধে তোমার কবিতা প্রথমে ক্লান্ত
তারপর
ক্রমশ উজ্জ্বল -
স্বমহিমায়?
নাকি মৃত্যুর ছোঁয়ায়?

0 কমেন্টস্:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন