ষষ্ঠ বর্ষ / চতুর্থ সংখ্যা / ক্রমিক সংখ্যা ৫৬

শুক্রবার, ১ জুন, ২০১৮

পৃথা রায় চৌধুরী




অনশ্বর  

সারিবদ্ধ সহস্রাধিক প্রেম বিরহ মাতৃত্ব
কিছু শিশুঘুম
প্রেতসন্ধানে চোখের আড়াল
কবরের নিচে বিরক্তি আসে
"নদী না, সমুদ্র!"

ভয়... কই?
মুখে চাইলে, গাছ দেখি
টান মারলে, যাবোই না
আবছায়া ডিঙ্গিয়ে আলো।

"
কাক কাকের মাংস খায়?"
-দেখেছি;
"তবে চলো অন্য ঘুমখানায়
ভয় পাবে না তো?"

ভাঙ্গা প্রাচীন, মাটি আলোকালো
তাকিয়েছিলে বুঝি,
যখন তার হঠাৎ জেদি ঠোঁট!

তোমার রোদচশমার ভ্রুসন্ধিঘাম স্বপ্নাক্রান্ত...
ছিনিয়ে নিয়েছি নির্লজ্জতায়।


ভেজা

ব্যক্তিগত স্নানের পরে বৃষ্টিরা সরীসৃপ
রাস্তার বানান ভুল হয়ে যায়,
রাতপুরুষের নেশায় ডুবে যেতে
পাথর বয়ে আনে কঠিন আকাশভাঙ্গা।

তুমি আগুন পুষেছো ছড়িয়ে দিতে
সংগ্রহে রেখেছি সুতোর দরজা
ছাদ হবে তুমি মহুয়াগন্ধ;

পাখিভোর গন্ধের মাঝে কোথাও হারমোনিয়াম
পাড়ার বাইরে অ্যাম্বুলেন্স,
দূত পাঠিয়ে তুলে নিয়ে যায় বুঝি
আশ্চর্য শিলা... কার নামের?

ডাঁই করা পুনর্জন্মের ভেতর আরশিবাগান
তুলোয় কাঁচা দুধ, তোমার অবাক চোখ
...মসৃণতা স্পর্শ করো আবার।


নির্ভয়

ভয় পেতে পেতে নিজেকে সাহসী বলা...
ভয় পেয়ে দুঃসাহসী হওয়া...
কথা ও কর্ম... যোদ্ধা?

1 কমেন্টস্: