ষষ্ঠ বর্ষ / তৃতীয় সংখ্যা / ক্রমিক সংখ্যা ৫৫

সোমবার, ৭ মে, ২০১৮

প্রণব বসুরায়




গভীর বিস্ময়

স্বয়ংক্রিয়তা কমে গেলে মাছি এসে বসে
কলকব্জা ঠিক আছে কিনা
পরীক্ষা করার সময় স্পর্শকাতরতায়
টান পড়ে, ধূলো ওড়ে রাজমহলেও...
মন্ত্রগুপ্তির শপথ নেই - এই অজুহাতে
কেউ কি খুলেছে বলো গোপন দরজা?
মৌখিক চুক্তির ওপর
দাঁড়িয়ে রয়েছে শাসন, শতক পেরিয়ে-
আমরাও অনুগত, লাইনে দাঁড়িয়ে প্রসাদ পাই
পাথুরে রাস্তায় ঘোড়ার গাড়ির শব্দে
আমাদের ঘুম এসে যায়


যাপনচিত্র

একটি ছাড়া বাহান্ন তাস বিছিয়ে দিয়েছি...
প্রতিটি তাসের নিজস্ব কারুকাজ, প্রতিটি
তাস মানুষের হাতে ম্যাজিক হ'য়ে
আনন্দ বিলিয়ে যায়, আলাদা রকম।
উপযোগিতায় ভিন্নতা নেই ব'লে তাদের রাখি
একই কামরায়...

আর অন্য তাসটি আমার একার সম্পদ
তাকে রাখি গুপ্ত আকাশে, ধবলী গাভীর
চকচকে পিঠের ওপর...
কোনও মাছিও তার খবর জানবে না কখনও


জলে যেতে

এই রাত অর্থহীন
যদি
কাল সকালে ফুল না ফোটে
ফুটন্ত কুঁড়িগুলি ছোট হতে হতে ক্রমে
গাছের শরীরে ঢুকে যায়...
বিশ্বস্ত অশ্বগুলির রেকাব বেজে ওঠে
যুদ্ধের সংকেতে

চলো যাই হাঁস-ঘরে
ডিম খুঁজি, দরজা আলগা করে দিই
যেন তারা সুষমায়
জলে যেতে পারে...


0 কমেন্টস্:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন