ষষ্ঠ বর্ষ / চতুর্থ সংখ্যা / ক্রমিক সংখ্যা ৫৬

সোমবার, ৭ মে, ২০১৮

তমাল রায়




ফিরে যাওয়া


আলোর বিপ্রতীপে এই যে সন্ধ্যে নামছে, মৃদু আলোয় খানাখন্দ বুজে শহরটা কেমন সুন্দর হয়ে ওঠে। তারপর যাবার ট্রেন যায়। আসার ট্রেন আসে। কেন, জানা যায় না।  শহর ছেড়ে স্টেশনগুলোতে ব্যস্ততা বেড়ে যায় অনেক। সাথে আনুষঙ্গিক অনেক কিছুই। যেমন হকার, পকেটমার বেশ্যা অথবা মালতী। মালতী আপাতত ফিরে যাবার জন্য টিকিট কাউন্টারে দাঁড়িয়ে... কিন্তু জায়গার নাম মনে পড়ছে না। আশপাশ দিয়ে বাকিরা হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে, দ্রুততায়। সবারই ফেরার তাড়া আছে। মানে থাকার কথা। মালতী লাইন চ্যুত হল। এখন লং শটে এক বিশাল সর্পিলাকৃতি লাইন। কিছু দূরে, মালতী। খুঁটিয়ে দেখছে ফিরে যাওয়ার কসরত। শহরে সন্ধ্যে। ট্রেন যায়, আসে, পকেটমার, বেশ্যা, হকার আর কিছু দূরে মালতী। লাইনচ্যুত হল কোনো একটা ট্রেন। অতি ব্যস্ততায় যেমন হয়। এখন অনেকেই তাকিয়ে, ট্রেনটার দিকে! এসব প্রায়শই হয় এ লাইনে। পোড় খাওয়া হকার এ কথা বলেই ফের হাঁকতে লাগলেন, আপনার চাবি আপনারই, কেবল তালা আমার, কেনাকাটা ব্যক্তিগত, দেখতে কেবল পয়সা লাগে না...





0 কমেন্টস্:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন