ধারাবাহিক উপন্যাস
ইন্দ্রপুরী রহস্য
(এগারো)
ঋক্ষ
আশুদা আপনমনে গুণগুণ করছিল। "উতলা হোসনে গোপনে সাধন কর তারে। ও সেই খুণরাশি গৌর শশি, এসে বসবে হৃদয়মন্দিরে।"আমি বললাম, "কুবির গোঁসাই?"আশুদা মাথা নেড়ে বলল,"ক্লোজ গেস। কুবিরের শিষ্য যাদুবিন্দু গোঁসাই। যাক গে, বল দেখি, বিনতা কী কী বলল তোকে?" আমি আকাশ থেকে পড়লাম। আশুদার চোখে কি সিসি ক্যামেরা আছে নাকি? সব কিছু এভাবে দেখতে পায় কীকরে? আশুদা আমার অবাক হয়ে যাওয়াকে উপভোগ করতে করতে বলল,"এটা জাস্ট পর্যবেক্ষণ অর্ক। তোর ঠোঁটের কোণে কফির দাগ লেগে আছে। এর মানে তুই কাজের শেষে কফি খেতে গিয়েছিলি। একা খাবার হলে ঘরে এসেই খেতে পারতিস। অর্থাৎ সঙ্গে কেউ ছিল। আমার ইনট্যুইশান বলছিল বিনতা মেয়েটা অনেক কিছু জানে। কিন্তু প্রথম দিনের কথোপকথনে বলতে পারেনি। মন বলছিল, আমাকে নয়, ও তোকে কনট্যাক্ট করবে। ওর চোখের মণি অশান্ত। মনে হয় কোনও ছোটবেলার স্মৃতি, কোনও চাইল্ডহুড ট্রমা ওকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে। এই সব দুয়ে দুয়ে চার মেলালে এটা আন্দাজ করাটা খুব সহজ হয়ে যায় অর্ক। যা কিছু অলৌকিক ভাবিস, তা আসলে বিজ্ঞান। ফারাক শুধু এটাই যে আমাদের জ্ঞান অতোটা উন্নত হয়নি যে সেগুলোর ভিতরের ব্যাপারটা ধরে ফেলতে পারবে। এটুকুই। এইবার বল, মেয়েটি তোকে কী কী বলল?"।
আশুদা আমার কাছে সবকিছু শোনবার পর গম্ভীরভাবে বলল, "ওরা তোর ব্যাকগ্রাউণ্ডের হোমটাস্কটা ভালোই করেছে। তুই আমাকে তোর বড়মামার কথা না বললেও তোর ভাই একদিন আমাকে ব্যাপারটা জানিয়েছিল। পুরো ঘটনাটা তুই কখনও নিজে আমাকে বলিসনি। তাই আমিও তোর কাছে প্রকাশ করিনি। বিনতার জীবনে এতো বড় যন্ত্রণা লুকিয়ে আছে ভাবতেই পারিনি। শুধু আন্দাজ করেছিলাম। তবে প্রমিতি এখন কোথায় জানবার বাসনা কিন্তু যাদুবিন্দু গোঁসাই আমাকে বেশ উশকে দিচ্ছে। কী বলিস? " আশুদার মুখে চোখে কৌতুকের ঝিলিক। কিন্তু আমার মনে অনেক প্রশ্ন তখন উঁকিঝুঁকি দিয়ে যাচ্ছে।
-বিনতা যে 'বাতাস'এর কথা বলল, তা তো কিছুই বুঝলাম না আশুদা। ব্যাপারটা কি?"
আশুদা হেসে বলল," অনেক বছর আগে কাম্বোডিয়ার কিছুর শরণার্থীর ভিতর এক অদ্ভুত অসুখ দেখা যায়। তাদের বেশির ভাগই তখন সন্ত্রস্ত। গণহত্যা আর বাস্তুছাড়ার ভয়ানক স্মৃতি তাদের মনের ভিতর দগদগ করছে। সেই সময় তারা অনেকে ঘনঘন অজ্ঞান হয়ে যেতে থাকে, তাদের ভিতর শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়, কারো কারো বুক ধড়ফড় করতে থাকে। তখন তাঁদের ভিতর এই বিশ্বাস জন্মায় যে তাঁদের শরীরে এক বিশেষ 'বাতাস' প্রবেশ করেছে যা সরাসরি তাদের মস্তিষ্কে গিয়ে আঘাত করছে। এই বিশেষ বাতাসের নাম 'খেয়াল'। সেই খেয়ালের দৌরাত্মকে মনে রেখে এই রোগের নাম হয় 'খেয়াল ক্যাপ সিণ্ড্রোম'।
-অনেকটা পোস্ট ট্রম্যাটিক স্ট্রিস ডিসরডারের মতো?
-ঠিক তাই। প্রচণ্ড মানসিক সঙ্কটের মুখে মানুষের অবচেতনে যে যে পরিবর্তন ঘটে, তার শারীরিক বহিঃপ্রকাশ এই 'খেয়াল-ক্যাপ'। এই অসুখ দূর করতে তারা নানান পদ্ধতি আবিষ্কার করে। কেউকেউ ওঝা গুণীনেরও শরণাপন্ন হয়। বিনতাদের যে গ্রুপটার কথা তুই বলছিস, তাদের সকলেই সম্ভবত এই অসুখের কবলে পড়েছে বলেই বিনতা এই 'বাতাস'এর উল্লেখ করেছে। এখন আমাদের দেখতে হবে, এই অসুখ থেকে নিরাময় পেতে তারা কী পন্থা অবলম্বন করছে। সেটা জানতে গেলে তোকে ওই গ্রুপে ঢুকতেই হবে।
আমি ইতস্তত করে বললাম, "ঢুকে পড়ব বলছ?"
-অবশ্যই। ওপর ওপর থাকলে কী আর মনোব্যবচ্ছেদ হয়? তোকে ভিতরে যেতে হবে। গভীর স্তর থেকে তুলে আনতে হবে সূত্র। তাছাড়া আরেকটা ব্যাপার আমার কৌতূহল বাড়াচ্ছে।আর সেটা হল বিনতার বয়ফ্রেণ্ড পুরন্দর। কে এই পুরন্দর? আমার ধারণা, শুভায়ুর মৃত্যুর অনুসন্ধানে এই পুরন্দর সম্পর্কে আমাদের জানাটা খুব জরুরী। তার সম্পর্কে তথ্য পেতে তোকে ওই গ্রুপে ঢুকতেই হবে।
-বেশ।
আমি পকেট থেকে বিনতার দেওয়া চিরকুটটা আশুদাকে দিলাম। সেখানে এক আশ্চর্য কান্তি বামন অবতার ঢোলক বাজাচ্ছে। টেলিগ্রামে গ্রুপটার লোগোতেও এই মূর্তি। আশুদা অনেকক্ষণ মনোযোগ দিয়ে চিহ্নটি দেখতে দেখতে বলল,"খুব ইন্টারেস্টিং জানিস। প্রাচীন যুগে উল্কি কাটা মোটেই ফ্যাশন স্টেটমেন্ট ছিল না। কখনও কখনও সেটা ছিল অপরাধীকে চিহ্নিতকরণের উপায়। প্রাচীন বাইবেলে আদমের পুত্র কেইনের কপালে পরমপিতা যেমন ভ্রাতৃহত্যার শাস্তি হিসেবে কালো উল্কি কেটে দিয়েছিলেন। অথবা মহাভারতের শেষে অশ্বত্থামার মণি তুলে নেবার পর তাঁর কপালে যেমন চিরস্থায়ী উল্কিচিহ্ন তৈরি হয়েছিল। অপরাধীকে চিহ্নিতকরণের এক পদ্ধতি যেমন এই ট্যাটু করা, ঠিক তেমনই শরীরের ভিতর দেবদেবীর অলৌকিক শক্তিকে জীবন্ত করে তোলার একধরনের পদ্ধতি হল এই উল্কি কাটা।"
আমি মুগ্ধ হয়ে শুনছিলাম আশুদার বিশ্লেষণ। আশুদা বলে চলে।
-লিবিয়ায় গবেষকরা সেটির স্মৃতিসৌধ খনন করে খ্রিস্টপূর্ব তেরো শতকের কয়েকটি পুরুষ মমি উদ্ধার করেন। সেইসব পুরুষ মমির দেহে সূর্যদেবতা ও যুদ্ধদেবতা নেইথের ছবির ট্যাটু দেখতে পান। এমনই এক প্রাচীন দেবতা 'বেস'। তোর দেওয়া এই চিহ্নটি এই প্রাচীন দেবতা 'বেস'এর। তিনি মিশরীয় উপকথার কুৎসিত বামন অবতার। আশ্চর্যের বিষয়, এই দেবতা কিন্তু মিশরের সঙ্গীত ও নৃত্যকলার দেবতা মিশরের যাদুঘরে মমির দেহ ছাড়াও ফুলদানি, মাটির পাত্র, মন্দিরের থামে এমন অজস্র বেস দেবতার উপস্থিতি মিলবে। মিশরে নর্তকীরা এই দেবতার উল্কি কাটত তাদের উরুর মধ্যভাগে। খ্রিস্টপূর্ব চার শতকে অনেকগুলি নুবিয়ান নারীশরীরের মমিতেও এই চিহ্নের দেখা মেলে...
সারারাত ভাবলাম উথালপাতাল। ঘুম এলো না। যেন এক খেয়ালি বাতাস জাগিয়ে রাখল আমাকে। খেয়ালি বাতাস নাকি সেই প্রাচীন শিল্পকলার দেবতা 'বেস'। ভাবতে ভাবতে ঢুকে পড়লাম গ্রুপে। এতো রাতেও কতোগুলি স্বাগতম মেসেজ ধেয়ে এল আমার দিকে। এদের সকলের ভিতরেই মনের কোনও না কোনও প্রান্তে লুকিয়ে আছে এক গভীর বেদনা, এক সুপ্ত ভয় ও আরোগ্যের সন্ধান। আমি খুঁজে পেয়ে গেলাম বিনতাকে। আর পেলাম পুরন্দর দেবকে। পুরন্দরের প্রোফাইলে ছবি হিসেবে রয়েছে সেই 'উনালোম'। বুঝলাম রহস্য আরো সঘন হচ্ছে। গ্রুপের নামের জায়গায় মাত্র তিনটি বিন্দু। আশুদা বলেছিল, এই বিন্দুর অর্থ নির্বাণ। ঘটনাক্রম কোথায় নিয়ে চলেছে আমাদের ভাবতে ভাবতে গ্রুপের মেম্বারের তালিকায় চোখ আটকে গেল আমার। সেই তালিকায় শুভায়ু দে আছে, নবনীতা আছে, আর আছে অলোকেশ দত্ত! অলোকেশ এই গ্রুপের কথা তাহলে আমাদের কাছে গোপন করে গেল কেন? তবে কি তার জীবনেও কোনও গভীর ক্ষত আছে? ভাবতে ভাবতে ভোররাতে দেখি থমথমে মুখ নিয়ে আশুদা দাঁড়িয়ে আছে আমার ঘরের দরজায়!
-কী হয়েছে আশুদা?
-জলদি তৈরি হয়ে নে। বেরোতে হবে। নিউমার্কেট। এখনই।
-এতো রাতে!
-তথাগতর একজন কনস্টেবল নাসিমা ফোন করেছিল। খানিকক্ষণ আগে নিউমার্কেটে নিজস্ব ট্যাটু পার্লারে আসিফ খুন হয়ে গেছে। মার্ডার সিন টেম্পার্ড হয়ে যাবার আগেই আমাদের ওখানে পৌঁছোতে হবে।
কখনও কখনও নিশুতি রাতের কলকাতা মায়াবিনী এক উল্কির মতোই মনে হয়। যেন তার নানান চিহ্ন দিয়ে কতো গোপন সংকেত ব্যক্ত করতে চাইছে। প্রথম যেদিন লিণ্ডসে স্ট্রিট ধরে আসিফের 'ইন্দ্রজাল ট্যাটু' পার্লারে গিয়েছিলাম, সেদিন এক মুগ্ধ কৌতূহল ছিল। কিন্তু আজ সেই জ্বল জ্বল করতে থাকা গ্লোসাইনটার দিকে তাকিয়ে শিউরে উঠলাম। পার্লারের বাইরে পুলিশ পোস্টেট ছিল দুইজন। আমরা আসতেই তারা সরে দাঁড়াল ও একজন বুদ্ধীদীপ্তা পুলিশ অফিসার আমাদের সামনে এসে দাঁড়াল। ইনিই পুলিশ কনস্টেবল নাসিমা খাতুন। আআদের স্যালুট করে বলল, "স্যার বলেছিলেন কোনও ক্রাইসিস হলে আপনাদের ডাকতে। তাই এতো রাতে বিরক্ত করলাম।" আশুদা বিনম্র কড়জোর করে বলল,"ইটস ওকে। তথাগত নেই?"নাসিমা বলল,"আসলে স্যার কয়েকটা দিন একটু ছুটি নিয়ে দেশের বাড়ি গেছেন। স্যারের মায়ের শরীরটা বোধহয় খুব একটা ভালো নেই।"
আমরা এসব কিছুই জানতাম না। আশুদা উদ্বিগ্ন স্বরে বলল,"ওহো। আই সি।চলুন, ক্রাইম সিনে যাওয়া যাক।"
নিজস্ব গাছের সজ্জা পেরিয়ে ঠিক যেখানে আগের দিন আসিফকে কর্মরত দেখেছিলাম, সেখানেই উপুড় হয়ে পড়ে আছে তার দেহ। মাথাটা থেঁতলে দেওয়া হয়েছে একটা ভারি রেঞ্জ দিয়ে। সেই রেঞ্জটা খানিকটা দূরেই পড়ে আছে। আসিফের খালি গা আর জিন্স। পিঠের ওপর একটা ট্যাটু করা। আচমকা দেখলে মনে হবে, সেটা একটা হাতি। কিন্তু সাধারণ হাতি নয়, অনেকটা আদিবাসী তুলিতে হাতির যেমন রূপ দেখা যায়, এ অনেকটা সেইরকম। ট্যাটুটা বেশ সদ্য করা কারণ তার চারিদিকে রক্তাভ কোষের বন্ধনী তখনও বেশ স্পষ্ট। তার নীচে উনালোম চিহ্নটি। যার উপরের তিনটি বিন্দুও সম্প্রতি করা। আশুদা গভীর মনোযোগ দিয়ে মৃতদেহটা পরীক্ষা করছিল। আসিফের মুখের কাছে নাক নিয়ে গিয়ে শুঁকে বলল,"ফরেন্সিক এসেছিল?" নাসিমা বলল,"আসছে ওরা। আমি আপনাদেরকেই আগে জানিয়েছি।" আশুদা ঘাড় নেড়ে বলল।
-পোস্ট মর্টেমে কী এল আমাকে জানাবেন। মনে হয় মাথায় ওই রেঞ্জের আঘাত থেকেই মৃত্যু। রেঞ্জটার ফিঙ্গারপ্রিন্ট অ্যানালিসিস মাস্ট। যদিও আমার ধারণা, ওতে কিছুই পাওয়া যাবে না, কারণ আততায়ী বেশ চতুর। ইচ্ছে করে আমাদের চ্যালেঞ্জ জানাতেই ওই মার্ডার ওয়েপন অপরাধের ক্ষেত্রতেই রেখে দেওয়া হয়েছে।
-আপনি কি আর কিছু সন্দেহ করছেন?
আশুদা ভাবল সামান্য।তারপর ঘরের এদিকওদিক তাকিয়ে বলল,"এই অঞ্চলে কোথাও কোনও সিসিটিভি থাকলৈ তার ফুটেজ নিন। আর এই বডির ভিসেরা পরীক্ষায় পাঠাতে ভুলবেন না। আমার অনুমান আসিফকে আগে থেকেই ঘুম পাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এই ট্যাটু র থেকে টিস্যু স্যাম্পেল নিতে ভুলবেন না।"
-ওকে স্যার।
আমরা নিশুতি হগ মার্কেটের সামনে এসে দাঁড়ালাম। নিশুতি শহরটা যেন এক জিজ্ঞাসার চিহ্নর মতো আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে।জানতে চাইছে অনেককিছু। আশুদা গাড়িতে বসে পড়ে থুতনিতে আঙুল রেখে কী যেন ভাবছিল। আমি গাড়ি স্টার্ট দিতে দিতে বললাম,"কী বুঝলে আশুদা?"
আশুদা চিন্তামগ্ন হয়েই বলল,"আততায়ী যে বা যারাই হোক না কেন, এবার বেশ ডেসপারেট হয়ে গেছে।"
-কেন এমন বলছ?
-কারণ শুভায়ু আর সুনন্দর মৃত্যুতে একটা হত্যা বনাম আত্মহত্যার দ্বন্দ্ব ছিল। আসিফের মৃত্যুতে সেটা আর নেই। এটা প্রমাণিত হলো, এগুলো নিশ্চিতভাবেই খুন। আর একটা প্যাটার্ন রয়েছে সেখানে।"
-উনালোম?
-শুধু উনালোম নয়। আগেই বলেছি, শুভায়ুর দেহে ছিল পাখি। সে বাতাসে ভেসে মরল। আর সুনন্দর দেহে ছিল মাছ। সে মরল জলে ডুবে। আর আসিফের পিঠে হাতি। পাগলা হাতির কথা মনে এলে প্রথমেই তোর কোন কথাটা মনে পড়ে বল দেখি?"
-শুঁড়ে পেঁচিয়ে পায়ে পিষে মেরে ফেলা।
-এক্সজ্যাক্টলি। এবার দুটো লোককে একটু জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার। তথাগতটাও নেই। নাসিমাকেই বলতে হবে। আপাতত ওই তো টিম লিড করছে।দুটো কাজ এখুনি করা দরকার। প্রথমেই একটা সার্চ ওয়ারেন্ট বের করতে হবে।
-কার নামে?
-ব্রজলাল বাজোরিয়া। ওর গোডাউনটায় এইবার একটু ভালোরকম দেখাশোনা করার সময় এসেছে।
-আর?
-আর একটা মানুষকে খুঁজে বের করতে হবে। প্রতি মাসের শেষ রবিবার যে আসিফকে তার পাচাইকুথুর রঙ সরবরাহ করে যেত। অথচ আমরা তার সম্পর্কে কিছুই জানি না।
-সুরেন্দ্র যাদব?
-চমৎকার অর্ক। আমি পরীক্ষা করে দেখছিলাম তুই নামটা মনে রেখেছিস কিনা। ঠিক তাই। কে এই সুরেন্দ্র যাদব?
নিশুতি অন্ধকারে আমাদের জিজ্ঞাসা যেন এক উল্কিচিহ্নর মতোই আমাদের দিকে ধেয়ে ফিরে এল।
(ক্রমশ)

0 কমেন্টস্:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন