![]() |
| কবিতার কালিমাটি ১৬০ |
রোদবসনা
কান্নামেঘের সাজ খুলে
বৃষ্টিবতী নাকছাবিটা এখন
কথার কথায় বাজে
বাজে প্রতি জানলার
নিঃশ্বাসে নিঃশ্বাসে।
এক বিকেলের তুলসীতলা
দাঁড়িয়ে দেখে মায়ের নোলক
ঢেউ বরাবর
ফেরিঘাটের প্রতিচ্ছায়া।
লজ্জা থেকে এই দৃষ্টি
চোখের দিলে দিন বরসাত
দিল দিল সে তোমার প্রসব
মুক্তোগুলো জল বুনছে
পাতার উপর …
সন্ধ্যামণির আলো
নিঃশব্দের দু'কড়ি মা
লেগে বসছে
গা-এর উপর মা পা ধ্বনি
উজাড় করে
পিছড়েবর্গ বহুমাত্রিক।
সন্ধ্যামণির টুকরোগুলো
ইচ্ছে বসায় দিনবসতে
অন্ধকারের ডানায় তাদের
চুপকথারা
আলোয় হেঁটে বিসর্গশব
মোমের ভেতর।
গড়িয়ে যায় ত্রিভুজ এঁকে
মাঝখানে
পড়ে থাকে
শুধু অনাথ উচ্ছ্বাস …
পলকের ঘর
পালক আসর মনকেমনের
হাওয়া এলো নদীর গল্পে
একা শুয়ে গল্পের নদী
রাগ বেহাগে।
পেণ্ডুলামের ভেতর দুলছে
একশো আট নিখিলের পা
দুলছে অবসরের চশমাঘরে
ঘড়ির কাঁটায় তখন
নিশীথ আসে।
মন ফুরিয়ে পলকের পল
আলোক সাজের রাত্রিগহন
গড়িয়ে পড়ছে স্বরবর্ণে।
কুয়াশার জাল মধ্যবর্তী
শব্দগুলো চোখের নালিশ
ফেলতে ফেলতে পাতা উল্টে
কোথাও কি তার বয়স ফুরোয়
মেঘের কাজল উপোস রেখে !

0 কমেন্টস্:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন