কালিমাটি অনলাইন

ত্রয়োদশ বর্ষ / দশম সংখ্যা / ১৩৭

দশম বর্ষ / একাদশ সংখ্যা / ১১০

ত্রয়োদশ বর্ষ / দশম সংখ্যা / ১৩৭

শুক্রবার, ৩০ মে, ২০১৪

১২) রাজর্ষি চট্টোপাধ্যায়

সেলুলয়েড



কাম

শাল ও পিয়াল নিয়ে কথা হচ্ছিল। তুই বলেছিলি একটা লেশহীন লাল জুতোর কথা। একটা অন্ধ মেয়ে ছিল। ভাঙা আয়নাও ছিল। সেকালের আতরদান। ঘরের কোণে একটা কাজললতাও টানা ছিল। মা দেখছিল না তোর আয়নার সাথে সহবাস। স্নানঘর পেরিয়ে যাওয়ার হাসি।



ক্রোধ

তারপরেই না ভাবলাম আমোদিনী বলে একটা ছবি করার কথা। রোদ রাঙা হয়ে এলে শাল-পিয়ালের সমকাম দেখাব। এটা শুনেই তো শিরা কাটলি, হাড়িকাঠে মাথা রেখে সারারাত পড়ে রইলাম।



লোভ

লাশকাটা ঘর থেকে তোর ভাঙা নথটা নিয়ে এসেছিলাম। তুই জানিস, একমাত্র তুইই, কোথায় রেখেছি ওটা।



মদ

জমিন আর আসমানের মাঝে আমার বে-ফিকির পসন্দ, তুই আঙুল ডুবিয়ে আমার মুখের ওপর ফাঁসের মতো ঝুলিয়ে রাখবি। আগের খুন-খারাবি থেকে ফোয়ারা ঝরে পড়বে। তুই গুটি থেকে রেশম আলগা করে দিবি।



মোহ

আর সেই আগুন। আগুন। আমি জীবন দিয়ে ফাগ আর ফাগুন দেখেছিলাম। ঠিক তোকে টেনে নেওয়ার আগে। আমাদের সমবেত উল্লাস বলার পরে।



মাৎসর্য্য

এই শব্দটার মানে শতকরা আশি ভাগ বাঙালি জানে না। তুই জ্ঞানেন্দ্রমোহন খুলেছিলি। মৎসর+য (ভাবার্থে)। এরপর থেকেই না তুই সন্ধিগুলো সব আলগা করে দিলি। সুগন্ধি তোকে গ্রাস করল। আর তুই গ্রাস করলি আমাকে। সবটুকু ক্ষরণ শেষে পঞ্চভূতে উৎসর্গ করলাম।


0 কমেন্টস্:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন