![]() |
| কবিতার কালিমাটি ১৫৭ |
কুরিয়ার সার্ভিস
কুরিয়ারে একটা ছবি পাঠিয়েছি
সময় করে তুলে নিও
হাটের ভিড় সামলে এর ওর পিছুডাক
রতনের দোকানের চা লন্ডির ব্যস্ততা
সব- সবকিছু ভুটভুটির ব্রেকে বেঁধে
বাগানের ভেতর টানা রাস্তায় দ্রুত নেমে পড়ো
ছবি কি শুধু ছবি এক শিকারি সারস
ওর ভরাট ডানাদুটো দিয়ে তোমায় ঢেকে রেখেছে
যা ভুলো-মন কোথাও যদি খুঁজে না
পাওয়া যায়! তবে ছবি ঠিক শালবনের দিকে হেঁটে যাবে.
এমিলি ডিকিনসনের মুখচ্ছবি
আলোর ঠিকানায় পৌঁছে
অন্য এক পথের খোঁজে চলেছি
উন্মুক্ত হাওয়ায় রেখে যাওয়া শব্দপ্রতীক
সুসজ্জিত এবং জীবন্ত
যে পথ রাত জেগে কুড়িয়ে রাখে শুকনো পাতা
অথবা জানালার ওপাশ থেকে সুখ-দু:খ বিশাদ
পাওয়া হারানো বাষ্পীভূত কাঁচ যা দেখায় সকলি সত্য
রাতে ঝিঁঝিঁ পোকার ছুটে চলা অথবা ভোর হলে পাখি
আহারের খোঁজে উপমা সাজায়
সুনশান নিরব মিউজিয়াম হঠাৎ মানুষের মতো জেগে ধীর
পায়ে এগিয়ে এলো
আমি চিরযৌবনা এক কিউরেটর চিরকুট লিখে দাঁড়িয়ে আছি
খোঁজ করে যাচ্ছি কে সেই কারিগর এমন আন্তরিক বিস্তীর্ণ
প্রকাশ
দাঁড়িয়ে আছি- দাঁড়িয়ে আছি- দাঁড়িয়ে আছি ভাবনার
মুখোমুখি অমরতা ভেঙে অনেকক্ষণ!
সাদা মেয়ে
ধবধবে সাদা দুটো পা ফ্রক গলিয়ে বেরিয়ে আসতে চাইছে
যেন সাইবেরিয়ান বরফজল আমার চোখ ছুঁয়ে চার্চের দিকে
গড়িয়ে গড়িয়ে এগিয়ে চলেছে
তখন আমি অম্বিকা মাহাতোর পিছু পিছু
নিস্তব্ধতার আড়ালে দেখবার চোখ যেন
চার্চের ঘন্টার কাছে আত্মসমর্পণ ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে
সুপ্রভাত বলার ইচ্ছা ক্রুশবিদ্ধ যীশুর প্রতিকৃতির
মতো ঝুলছে
অম্বিকা মাহাতো এক শুভ্র কুচি

0 কমেন্টস্:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন