![]() |
| কবিতার কালিমাটি ১৫৭ |
শব্দ
ভাঙা জিভ। চূর্ণ-বিচূর্ণ।
গানের যন্ত্রণা বোঝা যায়
হয়তো। খিদে পেলে
প্রসঙ্গে কোন জলছবি
থাকে না। হারমোনিয়ামও থাকে না।
জলের দিকে
তাকালে নৌকা সরে যায়।
কালো বেড়ালটি মাঝে মাঝে
গান গায়, আয়না দেখে। মা-বাবারা
হারিয়ে গেলে।
মাঝেমধ্যে হরফগুলোর চিহ্ন। আওয়াজ
করে ওঠে।
বদল
কাঠামো মেজাজ খুলে
টেবিলে রাখলো। মগজ
আটশো কিলোমিটার দূরে
একা কার সাথে যেন কথা বলে। রং বদলের সাথে
সুপ্রিয়া বদলে যায়।
সরলরেখা নীল আঁচল উড়িয়ে। সমুদ্রের
থেকে ঠান্ডা ধার
নিয়ে চোখ জুড়ায়।
কেউ কেউ হঠাৎ নিজের
হাত দুটো আবিষ্কার করে। আলো তুবড়ে
ভেঙে এক
টুকরো পৃথিবী খুঁজে পায়।
তামস
জীবনে এক আধটা রামধনু সহজেই লুফে নিয়েছি।
কেউ কেউ মুখ খুললে
লম্বা হয় চিমনির অনুবাদ। চিমনির
আগুনে রুটির ছবি ভেসে ওঠে। আয়ু রেখার
নিজস্ব কিছু যুক্তি আছে। চারকোল,
আংটি পড়ে
ধ্বনির দূরত্বে দাঁড়িয়ে।
মুখ থেকে ওড়না খুলে
আয়না নিজেই নিজেকে
দেখে। অন্ধকার --
শব্দটা লিখে রাখে।

0 কমেন্টস্:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন