![]() |
| কবিতার কালিমাটি ১৫৭ |
তিনটি কবিতা
(১)
প্রতিটি পর্বে যদি বা অন্ত্যমিল, সব টেবিলেই থাকিল। অথচ সে তুমি তাহারা সম্বৎসরের তারণ ভাবিলে এই খন্ডকে। আলো ভাবিলে। ক্রিয়াপদসমূহকে আনন্দ। আর ঐ কাঁটাচামচগুলি! বিরতির আবহে গোল, আরো চক্রান্ত যথা, ইতিহাস যেরূপ, ভাবিলে। ওই বিরতির আবহেই আপাতত এতসব ক্রীড়া। মানসে কি তীক্ষ্ণতা ছিল! এবং পর্দার অপেক্ষায়, নিশ্চিত!
(২)
রেখা উপস্থিত। আহ্বান ছিল, এমন নহে। শীর্ণ, চঞ্চল। বিশেষণে স্ত্রী লিঙ্গে এমন ব্যবহার বাহুল্য। তাহার স্পর্ধা কৌতূহলোদ্দীপক। আলিঙ্গনের শর্ত উপেক্ষা করিলাম। নতুবা বিপন্নতা গ্রাস করিতে পারে। অন্ধ ঘরে হয়ত বাজি উড়িবে, চমৎকার মাংস। শ্রাবণের কেয়ারটেকার এবং তাহার স্পর্ধা। এমতাবস্থায় একমাত্র বালিশটি ক্রমশ নোনায় অন্ধকার হইয়া উঠিল।
(৩)
বাতাস। খেলাচ্ছলে। আর বিভিন্ন প্রকার। যথা মশারির পূব কোণ। অতিরিক্ত আলো। ওই খানে একদা। আসিবে, এ রূপ নির্দিষ্ট হেতু উত্তরে মাথা নত করি। অখিল যোনির অঙ্ক ভাবি। কে কবে দেখিয়াছিল শেষ পর্ব! তথাপি তাহাতে তো আমিই খালাস। কেবল অনুসন্ধানী, তাই দেখি অন্ধকার। না কি রাত্রি! বাতাবি লেবু মনে পড়ে। অবিনশ্বর। কেবল হাসি।। আর তো কিছুই ছিল না পোস্টকার্ডে। তথাপি খুঁজি। একখানি চাকা-ও কি থাকিবে না অভ্যন্তরে!

0 কমেন্টস্:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন