![]() |
| কবিতার কালিমাটি ১৫৫ |
যাপনকথা
কবিতার ভেতরে
সোপান মহীসোপান
অতলান্ত গভীর মহাদেশ
শব্দ ছুঁয়ে ছুঁয়ে
ফিরে আসি
দেখি
জল - জলাভূমি - জলপরী
আমার ভেজা মাথা মুছিয়ে দেবে বলে
গামছা হাতে বসে আছে কেউ।
ভালোবাসা
নিঃসঙ্গতা মুছে
গোধূলি লগ্নে মেঘের নিচে দাঁড়িয়েছিল যারা
বৃষ্টি জলে দ্রবীভূত হৃদয়ের গন্ধে
ঘাসজমি তোলপাড় করে
যারা খুঁজেছিল আঁচলছায়া ,
প্রশ্রয়স্নিগ্ধ ঠোঁট
বিশুদ্ধ জলের মত স্বচ্ছতা
শীতরাতের মত জরুরী আগুন
অথচ পায়নি কিছুই
ইতিহাস পদচিহ্ন প্রাচীন সৌধের
চারপাশে গোল হয়ে বসে তারাই
আবহমান পৃথিবীর জন্য
রেখে গিয়েছিল শুশ্রুষার নিদান
তারা চেয়েছিল এইসব দীর্ঘ ক্লান্ত শ্বাস,
জীর্ণ ঘৃণা আর অপমানে বেদনায় হতাশায়
টুকরো টুকরো হৃদয়
জুড়ে জুড়ে গড়ে উঠবে একটা আস্ত সাম্রাজ্য
তার নাম দেবে
ভালোবাসা।
এপিটাফ
যেখানে প্রতীক্ষা শেষ
শেষ ট্রেন ছেড়ে গেছে
শেষ আলো নিভে গেছে অনেকক্ষণ
বাতাসের গায়ের রং দীর্ঘশ্বাস
জুঁইফুল মদির গন্ধ
মাটি আর আকাশের মাঝে
সেইখানে পৃথিবীর শেষ প্ল্যাটফর্ম
যেখানে অপেক্ষা করে আছে আনত ভালোবাসা
মানুষ তো কাঙ্ক্ষিত ভালোবাসা খুঁজে পেলে
আর ঘরে ফেরে না
ফেরে কি কখনো...

শুভ্র তোমার কবিতার একটা মেজাজ সবসময়ই অনুভব করি পাঠকালে। এই কবিতাগুলিতেও তার অন্যথা হয়নি। খুব ভাল লাগল। আরও লেখো আমরা পড়ি, আনন্দ পাই
উত্তরমুছুনএপিটাফ লেখাটি এবং নামকরণ অনবদ্য
উত্তরমুছুনSotti kobitar lekhata valo laglo re vai. Valo thakis tui onek ador ❤️❤️
উত্তরমুছুনশুভজিৎ৷ আমি পার্থ। খুব সুন্দর লেখা হয়েছে। তিনটেই দারুণ 👌👌
উত্তরমুছুনঅপূর্ব তিনটে কবিতা মঞ্জরী।
উত্তরমুছুনচমৎকার আবেগভরা উপস্থাপনা।
অনন্য জীবনবোধের প্রকাশ।
খুব ভালো থাকবে, প্রিয় কবি।
শুভেচ্ছা সতত।