![]() |
| কবিতার কালিমাটি ১৬২ |
ফটোজেনিক
একখানিই দেখা। সে তুমি তাহারা পুরী কিংবা বিজয়ওয়াড়া ভাবো।
বিস্মিত, ফটোজেনিক। আলোছায়া, ধ্রুপদী, সাংকেতিক কিঞ্চিৎ। আলো
জ্বলিতেছে অথবা অনেক আসিবে। কেবল দরজাটা খুলিতেছে, অবশ্যাম্ভাবী।
অভূতপূর্ব! শব্দে জল পড়িতেছে!
ভাষা দিবস
আলাপনে কেবল অপেক্ষা। যেহেতু ডোর এবং বিরহের বন্ধন।
ভাষা দিবস। নিরন্তর মা। নিরজনে। অন্ধকার কি এতই সহজ!
তর্পণ! তবে কি উপেক্ষা করিব ওই প্রান্তর? একবার অন্তত
গাথাসকল এইখানে আবৃত্তি করো। সাহসের।
ঘুঙুর
বস্তুত লীনা ও আকাশ। এই রূপই অনুষঙ্গ অতীতে। আষাঢের প্রাথমিকে
এমন ঘটে। আরো কিছু রচনা হয়, যাহাকে দৌবারিক আখ্যায় অত্যুক্তি হয়
না। অপ্রকাশিত এই। কত দিবসের স্নানের বাসনা! সমূহ সবুজে চিত্রকর
কৌতুক করে, আঁক কষে, বিয়োগ করে, আমাকে ইঙ্গিত। এ সব কি
বয়সোচিত! ঘুঙুর একা একা ভাঙিতে থাকি, অবগাহন, নীরব অনুগমনে।
জাগরণ
অভূতপূর্ব এই জাগরণ, যাহার মধ্যবর্তী অঞ্চলে এই জলযান। ইহার
প্রকৃতিতে বিস্ময়। অধিকতর আলো। জন্ম নহে, কিছুকাল বরফের অন্তে
কেবল। যাত্রা মৃদু মৃদু অথচ নিরবধি বাজিতেছে। ইহা আলাপ মাত্র।
নিশ্চিত বলিতে পারি না, জাগরণ, ওই জলযান অথবা নান্দনিকতা, কে
আমাকে মুগ্ধ করিতেছে। তবে সবুজ যে আসিতেছে, তাহা অপর আমাকে
বলিয়াছে।
বিরহ
এ প্রকার ঘুমে কোন বিরহ নাই। কেবল কিঞ্চিৎ কুকুর এবং অনুসূয়া অপূর্ব।
ভাবিতেছে, এই কি অন্ধকার! ওই যে পড়িল, নামিল, শব্দে শব্দে তুমুল।
যাত্রার পূর্বে সকলেরই কি এইরূপ! ঘুরিয়া ঘুরিয়া তাবৎ চিত্রসকল। আলো
ওঠে অথবা সম্বোধনে ইচ্ছা হয়। নিরন্তর।
মধুর
অবসরের কোন সবুজ নাই। অথচ স্তুপগুলি। অথচ গহ্বরগুলি। অথচ
তথাকথিত জানালা। এইরূপ স্বাভাবিক। এইরূপ, কেহ আসিয়া বসিল,
নিকটেই, অথচ। অপাপ বাতাস। আলো, প্রাচীন। পথের অন্তেও তবে
দু’চার পায়রা, ঘুড়ির বিস্ময়। যতিহীন শব্দ। সন্ধানে কি সেই খাঁজ,
আধখোলা ঝিনুক, জল তাহাকে সদ্য চুম্বন করিয়াছে! পথ হইতে অন্য
অদৃশ্যে ঘুরিয়া গেল কিশোর। বিড়ালটি বিস্মৃত হয় নাই। সেইখানে কি
গলি, রুদ্ধ? করতলে দেখি এক পাতা, ঈষৎ রক্তাভ, পতনোন্মুখ। অশ্রু
এবং আগুন তাহাকে দেখিতেছে। কী অবান্তর! মধুরে মধুর!

0 কমেন্টস্:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন