![]() |
| কবিতার কালিমাটি ১৬২ |
সন্ধ্যাগলি
(১)
বিস্ময়ের বাঁকে একক জিজ্ঞাসা
পড়ে আছে জন্মহীন নদীর
জাতগোত্র ছেড়ে।
সন্ধ্যার গলি থেকে অলি অলি ধুন।
নিঝুম রাত্রি ডেকে হারিয়ে যাচ্ছে
নিরক্ষর অব্যয়ের ভেতর।
যেখানে উপমার নিজস্ব আলো
সেখানেই প্রতীকের অন্ধকার
দুর্লভ ডেকে যাওয়া
তিরের ফলার দিকে
চলে যাচ্ছে পুরনো অলংকার।
হিমস্নেহের পা প্রণাম করছে নিজেকেই।
বিশেষ্যের এক একরকম বিশেষ
গায়ে সে এক আশ্চর্য প্রেমগন্ধ
ধুলো মাখা …
(২)
হাড় পাঁজর খুলে নীল নকশার ভোর
অবাক নামায়
একঢাল সন্ধ্যার কোলে।
এফোঁড় ওফোঁড়
ফুটি ফাটা জলের কেচ্ছা
সেলাই হচ্ছে
এক একটা নামের দুঃসাহস।
রুল টানা গ্রাম আর বুকে হাঁটা
শহরের রঙে মিলে যাচ্ছে
আক্রান্ত সময়ের স্রোত।
ধূ ধূ নিঃশ্বাস পেড়ে
কেউ নাড়িয়ে দিচ্ছে ঘুমের সংকেত
কেউ লিখে রাখছে অবুঝ হাওয়া
ঢলে যাওয়া
পড়ে থাকে দিনাদিন …
(৩)
জাফরি কাটা ছায়ার জানলায়
এক চিলতে নিরালা।
তিলকে তাল করা
সময়ের তালে তালে
চন্দনের ঘর
চিতার নিঝুম
একতারা বাজায়।
সন্ধ্যার কোনও নিজস্ব রঙ নেই
স্বর থেকে সর ও গম ভেঙে
সেই রঙের কথাই
ফিরে ফিরে
উড়ছে গন্ধ গন্ধ তিলক লেগে।
আমাদের মন যাই কাফে
দরজা খুলতেই
শূন্যপাতার ফাঁকে চোখগুলো
কাপে কাপে বেহাগের ফু গুনছে।

0 কমেন্টস্:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন