শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

প্রশান্ত গুহমজুমদার

 

কবিতার কালিমাটি ১৫৮


তিনটি কবিতা

(১)  

লিরিকের এমন মেজাজ, চাদর স্পর্ধা করে। যেমত ইতিহাস ধীরে শুরু

করে বিভাব পুনরায়। বাহুল্য যেরূপ অখিল পেস্টে। ভাবি, আজ, সাদা

শাড়ি, রোদ্দুর, দুঃখের একা। ভোরের স্নান, কবুতরের, এতটুকু আলো

তার বিলগ্ন ছায়ায়, তোমাদের জানা আছে? খুব দূর থেকে প্রাচীন শব্দে,

সেই আহরণে বিস্মিত করি আজ আমার আমাকে, তাবৎ সাদাকে।

সে আনন্দ আমার।

 

(২)  

গ্রন্থিত আলো। সু। পাতাসব। কাহারও খেলা। তবু তুমি সেই রক্তপাতে!

অথবা তোমার ছায়া। সে তো করতালি সহযোগে এ নৃত্যে বলিয়াছিল,

ওইখানে যাবো। অন্ধকার কি চামচে নামিয়াছিল? বৃষ্টিপাতে বাজিয়াছিল

মৃদু হা হা রব? শান্ত। শূন্য। কালের পেটোয়া। চক্ষু। চক্ষু এতসব পরিক্রমা

শেষে স্থির হয় একখানি মুঠোর ভিতরে, জলে, বাহুল্য কিছু বা বালিতে।

হায় দেশ,  গমের সে অনিবার্য। ভাঁজ। এখনও।

 

(৩)

আলোচনাগুলি। ঝিঁঝিঁট। বৈঠকের শেষে সেই পঞ্চাশের গলি। বেশ পাঠ্য,

প্রতীতি হয়। শীতের অপরাহ্ন। সুখ। লম্বা আলাপে পাখি ডাকে। মনে

হয়, ধারাপাতে বিঘ্ন কিছু ঘটিতেছে। এ কি কেবলই কালক্ষেপ! বিস্তারে

এত ভয়! আর বিলম্ব করি না। ভৈরবী জপি। তাবৎ অনুষঙ্গসহ। গন্ধে

মনোগ্রাহী। কোলে নিয়ে চুপ বসি। একটা একটা ফুল। প্রাণের প্রতিটি

বিন্যস্ত করি আয়োজনে। শুনি, নিকটে বা দূরে। দেখি কৌণিকে। আহা,

বড়ো সাধ হয়। স্পর্শে কি কুরীতি ঘটিবে!

 


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন