সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

স্বপন রায়

 

কবিতার কালিমাটি ১৫৬


শান্তিনিকেতন    

(১)

শ্যামবাটি জানলায় রাখা হলে

একটা সাইকেল

দাঁড়ায়

প্রযুক্তি আবার এসেছে, শিউলি-হরফও

গ্রাম

চিরকালীন গ্রামে জানলা টুকল সাইকেল

চলেও গেল

রাখা না-রাখা মন এবং আমনও কিছুটা

শ্যামবাটিতে

বাঁশিতে

কে বা কারা রেখেছে এই ধন্দেই

একটা সাইকেল

কয়েকটা ক্রিং ক্রিং

অনবরত চোখ

এবং চোখের আরেক নাম, জ্বর…

 

(২)

সর্ষেফুলের অজ্ঞান বিরতি। নেমে আসা ও কথাবার্তা আর অভিমানের পাটে বসা সূর্য। মার্চপাস্ট মনে পড়ল। রোদ হারবে জেনেও, মার্চপাস্ট একটি অবধারিত জল্পনা। নেমে আসায় কোমর থেকে কমরিয়া, পাৎলা হাওয়া, চিলি…

সর্ষে বিরতির আগেই  যুদ্ধবিরোধী এবং হলুদ

হলুদ ও বসন্ত

মার্চপাস্ট  শেষ পর্যন্ত হল না

পাংচার হয়েছে

বার্স্ট

এই কারণগুলো কথাবার্তায় জড়িয়ে এবং খুব সে জড়িয়ে সর্ষেখেতের হাওয়া

আছে, ফুস্ফুস আছে তাহলে

 

(৩)

যেখানে কিছু একটা হবে। ভাণ্ডারে সব্জি, পর্যটনে মৌ। সুসময় নদী পেরোলেই। ভোর পাশ ফিরল, হবে কিছু একটা। ফেরত দেয়া এক পরত রোদ, সুসময় পেট্রোলে জড়ানো। ভোরকাচা বাজার, বনমোরগ, আস্ত টনক চোখের।

অলিতে ক্রাশ। গলিতে থাকে বলে কাল রাতের জোছনাবলী আজ কাশফুল।

হবে কিছু বা হবে না।

অন্তত ঠাকুর কিছুটা বা একজোড়া খড়ম, মিউজিয়ামের বাইরে।

 

(৪)

রোদ যদি পাখির অবকাশ। তবে থাকুক, রোদাম্ল। লন্ড্রিফেরত, পাট-পাট এত কিছু। যদি পাখি ওড়ে তো কিছ, এতকিছু উড়বেই।

ডানা নেই, ছাইয়ের।

নিকেতনটা থাকবে, বেলুনওয়ালা আকাশ সেলাই করবে যতদিন। ছাই শান্ত।

ছাই-ই শান্তি।

 

 

 

 

 

 


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন