![]() |
| কবিতার কালিমাটি ১৬২ |
নাচ
কেউ কেউ সারাজীবন
একা হেঁটে যায়। একটা
জনবিরল হাত ধরবে
বলে। সাদা খরগোশের
মধ্যে। একজন কান্নার
চোখ পরিষ্কার করে দেয়।
আলবিদা। -- মুচকি
হেসে খুলে দেয় গাড়ির
দরজা। আয়নায় নেচে
চলেছে ছুটন্ত হ্যারিকেন
এবং কালো ঘোড়া।
তাদের শুভরাত্রি জানাও।
হাসপাতাল, আবছা কুয়াশা -
তারাও বিদায় জানিয়েছে।
হারানো
শীতকাল আসেনি।
তাহলেও মোম দিয়ে আঁকা।
নীল এক টুকরো আলো।
সাপলুডোতে মাথা রেখে
পৃথিবী দেখে। ছুটির
দরখাস্ত। একা নৌকো
চালিয়ে মহাশূন্যে হারিয়ে
যায়। ড্রইংরুমে বসে
তার ছায়া। হারিয়ে যাওয়া
রং। সম্ভাবনাতে কোনো
উলুধ্বনি ছিল না।
নিরাকারের দেখা কোনো
আলো ছিল না।
যাওয়া
তাকালেই। একজন আঙুল
ছায়াপথ দেখাতে দেখাতে
আয়নার বাইরে
চলে যায়। বজ্রপাতের শব্দে।
হঠাৎ ঘুম ভেঙে।
একটা গাছ। ফাটলের
দিকে হেঁটে যায়। শূন্য
পৃথিবী। বর্ষাতি রূপকথা
পরে। অন্ধকারে।
সেফটিপিন ডগায়
নৌকো ডুবি থেকে
হারিয়ে যাওয়া সুরগুলিকে
বাঁচিয়ে তোলে। মৃত
মাঝির আরশিজল ও
সাইকেলটি বেঁচে যায়।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন