একই মাপে বাড়ে
শত্রু আর প্রেমিকার নখ
মৃতদের দীর্ঘ কিউতে সারাদিন দাঁড়িয়ে
পায়ের শিরায় লিমেরিকের কিলবিল নিয়ে উঠছিলুম
যতটা পেছিয়ে দেওয়া যায়
নর্দমাগুলোর খলখলে সনেটপ্রিয় কবিত্ব
তবু সুযোগ পেলেই
কপালে ফিসফিস ছুঁয়ে দেবার অজুহাতে
বললুম
প্রেমিকাদের রিওয়াইণ্ড করে আনতে পারলে জীবন সুখের হতো না গো
সেদিন আর আজকের দূরত্ব
টিকে থাকা আর বেঁচে থাকার বিভ্রমে
ফুসফুসে সে কী সবুজ শ্লেষ্মার বিশৃঙ্খলা
সেই যে প্রেমিকার ডাকনাম ছিল থুতু ফেলার মতোন শহরগন্ধী
অথচ নগ্নিকা হলেই যিনি খুকি-আনন্দময়ী
বিদেশি কোম্পানির সূর্যাস্ত কিনে মুখে মাখেন
মুঠো খুলে ওড়ানো তাঁর শীতকালগুলোয়
থাকতো একজোড়া পনিটেল পুংকবি
যারা শবের হাঁ-মুখের প্রতিধ্বনিলোভী মাছিদের গুঞ্জন চুরি করে
টুপ করে পুরে দিয়েছিল চিত্রকল্পের ক্যাপসুল
তারাই লাইন দিয়ে আছে গোরু-শুয়োর দ্বন্দ্বসভ্যতায়
দাঁড়িয়ে-দাঁড়িয়ে বেড়ে চলেছে শত্রু আর প্রেমিকার নখ
প্রেমিকের খুলির ভেতরের ঘরদোর
ঘুড়িটা এমন ভাব করছিল যেন কাটা গেছে
হাওয়ায় কোমর দুলিয়ে নামছিল
হাত ধরে এক হ্যাঁচকা দিতেই
লাল সবুজ আঁচল সামলে দাঁড়িয়ে পড়ল
আর হাসতে লাগল
জিগ্যেস করলুম, কি রে, ঝুমা, হাসছিস কেন
বললে ওই দ্যাখো
ওদের চিলেকোঠার ছাদে আমার প্রেমিকের খুলি
ওখানেই বিষ খেয়ে মরেছিল মিনসেটা
দোয়েল পাখি দুটো ডিম পেড়েছে
ওর খুলির ভেতর
তুমিও আমার মতোন ঘুড়ি হলে দেখতে পেতে
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন